আবু কাওসার মাখন, রাজশাহী ব্যুরো
সোমবার (৫ অক্টোবর) ২০২৬, বিকেল ৩টা ৫৪ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
রাজশাহী মহানগরীতে রিকশা ও ইজিবাইকের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে রিকশা ব্যবস্থাপনা ও ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফেরাতে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক) ও ট্রাফিক বিভাগের কাছে আট দফা প্রস্তাব দিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।
নগরবাসীর অভিযোগ, অনেক রিকশাচালক ট্রাফিক আইন ও সংকেত সম্পর্কে সচেতন নন। ব্যস্ত সড়কে হঠাৎ মোড় নেওয়া, রাস্তার মাঝখানে যাত্রী ওঠানামা করানো এবং উল্টো পথে চলাচলের কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
নাগরিকদের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে নগরীতে চলাচলকারী রিকশার সংখ্যা নির্দিষ্ট করা, বাধ্যতামূলক নিবন্ধন ও ডিজিটাল নম্বর প্লেট চালু করা। এছাড়া অটোরিকশার মতো রিকশাকেও রংভিত্তিক ভাগ করে নির্দিষ্ট দিন বা সময়ে চলাচলের ব্যবস্থা করার সুপারিশ করা হয়েছে।
অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে রিকশাচালকদের ট্রাফিক আইন ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া, গুরুত্বপূর্ণ সড়কে রিকশার জন্য পৃথক লেন তৈরি এবং মোড়ে মোড়ে যাত্রী ওঠানামা বন্ধ করা। এছাড়া অনিবন্ধিত রিকশার বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান পরিচালনা এবং প্রকৃত চালকদের নামে সীমিতসংখ্যক লাইসেন্স প্রদানের দাবি জানানো হয়েছে।
রাসিক প্রশাসক মাহাফুজুর রহমান রিটন বলেন, ‘রিকশাচালকদের ট্রাফিক আইন ও সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে রিকশার জন্য পৃথক লেন বা নির্দিষ্ট চলাচলের পথ রাখার প্রস্তাবও রয়েছে। প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যেখানে-সেখানে রিকশা থামিয়ে যাত্রী ওঠানামা বন্ধের কথাও বলা হয়েছে।’
নগরবাসীর প্রত্যাশা, এসব প্রস্তাব বিবেচনা করে রাজশাহী কর্তৃপক্ষ দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা গ্রহণ করবে। এতে যানজট কমানোর পাশাপাশি সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।