কক্সবাজার ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় রবিবার (১৪ মে) সন্ধ্যার দিকে শুরু হতে পারে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র প্রভাব। এ আশঙ্কায় উপকূলীয় জেলাগুলোতে জারি হয়েছে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
আবহাওয়া অধিদফতর শুক্রবার (১২ মে) রাতে এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য দিয়েছে।
এতে বলা হয়, কক্সবাজার ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখার প্রভাব শুরু হতে পারে রবিবার সন্ধ্যায়। পর দিন সোমবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে কক্সবাজার-মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করতে পারে মোখা।
অধিদফতর বলছে, অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়ার আকারে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকা অবস্থান করছে।
এতে বলা হয়, ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৩০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুন্দ্রবন্দর থেকে ৮৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৯০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৮৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল।
এটি আরো উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘণীভূত হয়ে ১৪ সোমবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করতে পারে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৪ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে এর পরিবর্তে আট নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে। আর মোংলায় চার নম্বর সংকেত বহাল থাকবে।