ঝিনাইদহের শৈলকুপায় রান্নার প্রয়োজনে দোকানে তেল আনতে গেলে তৃতীয় শ্রেণির এক শিশুকে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
আজ শুক্রবার (১৯ মে) বিকালে উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। শিশুটিকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। পরে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শিশুটিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
ধর্ষণের শিকার শিশুটি বিএলকে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ধর্ষক কবির হোসেন (১৮) বাহাদুরপুর গ্রামের রমজান শেখের ছেলে।
ধর্ষণের শিকার শিশুটির পিতা জানান, তিনি গরুর ব্যবসা করেন। কালীগঞ্জ উপজেলার কালারহাট থেকে ৩টার দিকে বাড়িতে এসে বাড়ির পাশে মাঠে কাজে যান। বাড়িতে রান্নার কাজের জন্য তেলের প্রয়োজন হলে সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ির পাশে কবির হোসেনের মুদি দোকানে যায় তার শিশু কন্যা। দোকানদার কবির হোসেন তার শিশুকে একা পেয়ে দোকানের মধ্যে হাত পা ও মুখ বেঁধে পাশবিক নির্যাতন চালায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটি বাড়িতে আসলে তাকে মূমূর্ষ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওখান থেকে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠান কর্তব্যরত চিকিৎসক।
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার বিকালে বাহাদুরপুর গ্রামে এক শিশু ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। স্বজনরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। ধর্ষণকারীকে আটকের জন্য চেষ্টা চলছে বলে জানান।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. আরিফুর রহমান বলেন, ধর্ষণের শিকার শিশুটির ক্ষতস্থানে ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়েছে। এ কারনে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে।