1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বাঘারপাড়ায় সুদের টাকা নিতে না পারায় শিক্ষকের বাড়ি দখলের পাঁয়তারা - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচন কমিশনের অভিমুখে মিছিলে বাধা, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক ভিডিও কলে নগ্ন নারীর দৃশ্য দেখিয়ে তরুণকে ব্ল্যাকমেইল, খোয়ালেন ৫০ লাখ রুপি সুজানগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপিত হলো বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ সম্মাননা পেলেন পাবনার মো: ইমরান হুসাইন অভয়নগরে ধর্ষণচেষ্টার আসামির ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ চাপের মুখে পদত্যাগ করলেন রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অভয়নগরে ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ আটক একাদশে ভর্তির দ্বিতীয় ধাপের ফল প্রকাশ: কলেজ পায়নি ৫ হাজার শিক্ষার্থী ঘুষ গ্রহণকে যৌক্তিক দাবি করা এএসআই ইলিয়াস ক্লোজড মেসিকে সম্মান জানাতে এলেও গোল উপহার দেবেন না বেনিন গোলরক্ষক

বাঘারপাড়ায় সুদের টাকা নিতে না পারায় শিক্ষকের বাড়ি দখলের পাঁয়তারা

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪
  • ১৫১ জন খবরটি পড়েছেন

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি। বাঘাপাড়ায় সুদের টাকা নিতে না পারায় এক শিক্ষকের বাড়ি দখলের পাঁয়তারা করছে সুদেকারবারীরা। ঐশিক্ষকের নাম হাফিজ উদ্দিন তিনি মীরপুর গ্রামের মৃত আকমান মোল্লার ছেলে ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

সুদেকারবারীদের হাত থেকে বাঁচতে তিন জনের নাম উল্লেখ করে বাঘারপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভূক্তভোগী।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, একই গ্রামের মোহাম্মদ মোকামের ছেলে হারুন মন্ডলের কাছ থেকে ১লাখ টাকা ও সোহেলের নিকট থেকে ২লাখ ৫০হাজার টাকা নেন। বিনিময়ে প্রতি ধান মৌসুমে লাখ প্রতি ১০মন করে ধান পরিশোধ করতে হবে। যা উভয়ের স্বাক্ষরে স্টাম্পের মাধ্যমে লিখিত চুক্তিনামা হয়। সুদ বাবদ ৩৫ মন ধানের দুই কিস্তি (৭০ মন ধান) পরিশোধ করেন হাফিজ।

এরপর বিশেষ কারনে পরের কিস্তি দিতে না পারলে হারুন ও সোহেল একই গ্রামের মুজিবর মোল্লার ছেলে শরিফুল ইসলামকে সাথে নিয়ে জোর করে একটি স্টাম্পে স্বাক্ষর নেন। স্টাম্পে লেখা ছিলো, ৯ মে তারিখের মধ্যে সুদসহ আসল টাকা ফেরত দিতে না পারলে বসত বাড়ি ও ধানি জমির অর্ধেক হারুন ও সোহেলের নামে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে লিখে দিতে বাধ্য থাকিব। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা দিতে পারেননি হাফিজ। এরপর উল্লিখিত তিনজন ২০ মে অরেকটি স্টাম্প নিয়ে হাজির হয় হাফিজের বাড়ি। সে স্টাম্পে লেখা ছিলো, ২৩লাখ টাকা বিনিময়ে হারুন ও সোহেলের কাছে বসত বাড়ি বিক্রি করলাম। বায়না বাবদ ৮লাখ টাকা গ্রহণ করলাম। এ স্টাম্পেও জোর করে
স্বাক্ষর করায় হাফিজকে। এমনকি জমি লিখে না দেওয়াই ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত হারুন মন্ডল বলেন , জেনেবুঝে স্টাম্পে স্বাক্ষর করেছেন হাফিজ উদ্দিন। সে হিসাবে আমি আমার হিসাব বুঝে নেব।

বাঘারপাড়া থানার ওসি শাহাদত হোসেন জানান , দায়িত্ব প্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তাকে তদন্ত ভার দেওয়া
হয়েছে। সে অনুযায়ি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar