ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হয়েছেন ঢাকার সিটি এসবিতে (নগর স্পেশাল ব্রাঞ্চ) কর্মরত অতিরিক্ত ডিআইজি শেখ রফিকুল ইসলাম শিমুল। তাঁর গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দী গ্রামে। তিনি সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। বেনজীরের মতো ঠিক একই কায়দায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সংখ্যালঘু ও দুর্বলদের ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে নামমাত্র মূল্যে শত শত বিঘা জমি, শহরে-গ্রামে বিলাসবহুল বাড়ি, মাছের খামার—সবই করেছেন।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
চাকরির সুবাদে হয়ে উঠেছেন অন্যতম বিত্তশালী। এ যেন পুলিশ বাহিনীতে আরেক ‘বেনজীর’। এরই মধ্যে রফিকুল ইসলাম এবং তাঁর স্ত্রী ও আত্মীয়দের সম্পদ জব্দের প্রস্তুতি নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের অনুসন্ধানকারী টিম এরই মধ্যে রফিকুল ইসলামের সম্পদ জব্দের অনুমতি চেয়ে কমিশনে আবেদন করেছে, যা পর্যালোচনাধীন।
কমিশনের অনুমতি পেলে অনুসন্ধানকারী টিম আদালতে রফিকুল ইসলামের সব সম্পদ জব্দের আবেদন করবে। দুদকের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র কালের কণ্ঠকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অবৈধ উপার্জিত অর্থ দিয়ে রফিকুল ইসলাম নিজের ও স্ত্রীর পাশাপাশি ভাই-বোন, ভাই-বোনের ছেলেমেয়ে, শ্যালক, শ্যালকের স্ত্রী, শ্যালিকা, শ্যালিকার স্বামীসহ বিভিন্নজনের নামে অঢেল সম্পদ গড়েছেন। কালের কণ্ঠ’র নিজস্ব অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, রফিকুল ইসলাম নিজের ও স্ত্রীর পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজনের নামেও সম্পদ গড়েছেন। অবৈধ সম্পদ অর্জন করে তিনি নিজেও বিপদে পড়েছেন, পাশাপাশি অবৈধ সম্পদের অংশীদার বানিয়ে আত্মীয়-স্বজনকেও বিপদের মধ্যে ঠেলে দিয়েছেন।
এরই মধ্যে দুদকের অনুসন্ধান টিম রফিকুল ইসলামের এসব অবৈধ সম্পদ জব্দের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে, যাতে তিনি এসব সম্পদ বিক্রি করতে না পারেন। চলতি মাসের শুরুতে অনুসন্ধান টিম কমিশনে রফিকুল ইসলামের সম্পদ জব্দের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছে। কমিশনের অনুমতি পেলেই অনুসন্ধানকারী টিম অদালতে সম্পদ জব্দের আবেদন করবে।
জানতে চাইলে দুদকের প্রধান আইনজীবী খুরশীদ আলম খান কালের কণ্ঠকে বলেন, আইন ও বিধি অনুসারে যা যা করণীয়, তার সবই করবে দুদক। কমিশনের অনুসন্ধান টিম স্বাধীনভাবে কাজ করছে। অনুসন্ধান পর্যায়ে অনুসন্ধানকারী দল প্রয়োজন মনে করলে কমিশনের অনুমতিক্রমে আদালতে সম্পদ জব্দের আবেদনও করতে পারে। তবে নির্ধারিত সময়ে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিলের তাগিদ রয়েছে। অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করলে তার আলোকে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।
জানতে চাইলে দুদকের প্রধান আইনজীবী খুরশীদ আলম খান কালের কণ্ঠকে বলেন, আইন ও বিধি অনুসারে যা যা করণীয়, তার সবই করবে দুদক। কমিশনের অনুসন্ধান টিম স্বাধীনভাবে কাজ করছে। অনুসন্ধান পর্যায়ে অনুসন্ধানকারী দল প্রয়োজন মনে করলে কমিশনের অনুমতিক্রমে আদালতে সম্পদ জব্দের আবেদনও করতে পারে। তবে নির্ধারিত সময়ে কমিশনে প্রতিবেদন দাখিলের তাগিদ রয়েছে। অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করলে তার আলোকে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। কালের কণ্ঠ