1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
জাতীয় ঐক্যের আহ্বান দেশের ৫০ বিশিষ্ট নাগরিকের - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাওয়ার জন্যই’: হবিগঞ্জে এএসআইয়ের ভিডিও ভাইরাল পার্বত্য সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ৩৭ বিজিবির নিয়মিত অভিযান কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি সংকট: বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মেহেদী, বিল্লাল ও ইয়াসিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে কারমাইকেল কলেজে যুব রেড ক্রিসেন্টের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৪ কুষ্টিয়া সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ৯,২৫০ কেজি সার উদ্ধার রাজশাহীতে বাড়ছে রিকশা, যানজট নিয়ন্ত্রণে ৮ দফা প্রস্তাব সচেতন নাগরিকদের

জাতীয় ঐক্যের আহ্বান দেশের ৫০ বিশিষ্ট নাগরিকের

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৪৬ জন খবরটি পড়েছেন

অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন জানিয়ে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের সব অপচেষ্টা রুখে দিতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন দেশের ৫০ জন বিশিষ্ট নাগরিক।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

আজ শনিবার এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এ আহ্বান জানান।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিবৃতিটি শেয়ার করেন।

এতে বলা হয়, গত ৫ আগস্ট ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচারী শাসনের পতন ঘটে এবং শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যান। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এক নতুন সূচনার সাক্ষী হয়।

এরপর অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী প্রশাসন সমাজের সব স্তরের ব্যাপক সমর্থন লাভ করে। দেশের সামনে এখন জরুরি কাজ হলো রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাস পুনঃস্থাপন, অর্থনীতির পুনর্গঠন এবং একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথ তৈরিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন।

বিবৃতিতে বলা হয়, এই প্রেক্ষাপটে পতিত শাসনের শক্তিগুলো তাদের বিদেশি পৃষ্ঠপোষকদের প্রকাশ্য এবং গোপন সমর্থনে দেশে বিভাজন সৃষ্টিতে সক্রিয় রয়েছে। তারা মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার ছড়াচ্ছে এবং সহিংসতা উসকে দিচ্ছে। বিশেষ করে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর অত্যাচারের অতিরঞ্জিত, বানোয়াট এবং ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রচারের মাধ্যমে একটি সম্মিলিত প্রচারণা চালানো হচ্ছে। এই প্রপাগান্ডার ফলে ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রামে সাইফুল ইসলাম নামে একজন সরকারি কৌঁসুলিকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।

এতে বলা হয়, আমরা দ্ব্যর্থহীনভাবে এই হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানাই এবং দ্রুত ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি। এই শোকাবহ পরিস্থিতি এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক সহিংসতার আশঙ্কা রয়েছে। যে কোনো সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডার বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াবে। তবে বাংলাদেশের জনগণ সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করেছে এবং সহিংসতা বৃদ্ধির যে কোনো চেষ্টাকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করেছে। হত্যাকারীরা কোনো সম্প্রদায়, ধর্ম বা গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নয়। বরং তারা শেখ হাসিনা ও তার পৃষ্ঠপোষকদের এজেন্ট হতে পারে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যদি তদন্তে এটি প্রমাণিত হয়, তবে এটি নিশ্চিত করবে যে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্য, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি।

পরিস্থিতি এখনো অস্থিতিশীল। ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচারী এখনো মুক্ত, এবং তার সহযোগীরা তাদের অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদের সুবিধা ভোগ করছে। ভারতে তার নির্জন আশ্রয় থেকে হাসিনা বাংলাদেশকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শন করতে হবে, যখন আমরা বাংলাদেশের পুনর্গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছি।

বিবৃতিতে তারা বলেন, যে কোনো উত্তেজনাপূর্ণ আহ্বান বা কার্যকলাপ পরিস্থিতিকে আরো জটিল করতে পারে এবং পতিত স্বৈরাচারীকে সুবিধা দিতে পারে। এছাড়া হাসিনা শাসনের রেখে যাওয়া বিশাল অর্থনৈতিক গহ্বর থেকে আমরা এখনো বেরিয়ে আসতে পারিনি। সাম্প্রদায়িক বা রাজনৈতিক সহিংসতা আমাদের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরো খারাপ করবে এবং এই মুহূর্তে অতি প্রয়োজনীয় দেশিও বিদেশি বিনিয়োগকে ভীতি প্রদর্শন করবে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা সব বাংলাদেশিকে, ধর্ম, রাজনৈতিক মতাদর্শ, আদর্শ, লিঙ্গ, বয়স বা যে কোনো বৈশিষ্ট্যের পার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে এই হুমকির মুখে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানাই। আমরা বাংলাদেশের ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠস্বরের প্রতি আমাদের সংহতি প্রকাশ করছি।

বিবৃতিদাতাদের মধ্যে আছেন- বাংলাদেশ গবেষণা বিশ্লেষণ ও তথ্য নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক ড. রুমি আহমেদ খান, ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স ফর ডেমোক্রেসির প্রতিষ্ঠাতা ড. শামারুহ মির্জা, লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট ডা. শফিকুর রহমান, আইনজীবী এহতেশামুল হক, অর্থনীতিবিদ ও লেখক মো. জ্যোতি রহমান, বিজ্ঞানী ও এক্টিভিস্ট ড. ফাহাম আবদুস সালাম, প্রকৌশলী নুসরাত খান মজলিশ, বিজ্ঞানী মো. নুসরাত হোমায়রা, ড. সৈয়দ রউফ (পাবলিক সার্ভিস, কানাডা), অর্থনীতিবিদ ও সামাজিক উদ্যোক্তা নাজিয়া আহমেদ, লেখক ও অ্যাক্টিভিস্ট মেজর শাফায়াত আহমদ (অব.), অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও প্রকৌশলী আহমদ হাবিবুর রহমান, শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মী সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, সিডনি পলিসি অ্যানালাইসিস সেন্টারের নির্বাহী পরিচালক ড. মোবাশার হাসান,

অস্ট্রেলিয়ার পাবলিক সার্ভেন্ট ইফাত তাবাসসুম, অধ্যাপক ড. সাইফুল খোন্দকার, ডেটা ইঞ্জিনিয়ার ও মানবাধিকার কর্মী রূপম রাজ্জাক(যুক্তরাজ্য), ইনভেস্টমেন্ট র্স্ট্যাটেজিস্ট ও ফিন্যান্স প্রফেশনাল ড. মোহাম্মদ মিয়া প্রমুখ। বাসস

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar