1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
একুশকে চলচ্চিত্রে তুলে ধরেছেন জহির রায়হান - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টাকার অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী বিথীর পাশে ছাত্রদল নেতা পাবনার ফরিদপুরে দেশীয় অস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে ২ পিস্তল, গুলি ও বিপুল ভারতীয় সিগারেট উদ্ধার শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য, জাবি ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি যশোরে ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি: ইত্যাদি স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষকরাই পারেন আলোকিত মানুষ গড়তে: এ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা এমপি রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন এসআই অসিত কুমার বসাক সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে দিনব্যাপী প্রাথমিক চিকিৎসা কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাজেট সংকটে ৪ বছরেও শুরু হয়নি জবির প্রধান ফটক সংস্কার কাজ

একুশকে চলচ্চিত্রে তুলে ধরেছেন জহির রায়হান

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ৩০০ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জহির রায়হান ১৯৬৫ সালে পরাধীন পাকিস্তানে একুশ নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পাকিস্তান সরকার অনুমতি দেয়নি। তবে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জহির রায়হান যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে হয়তো এই আক্ষেপে পুড়তে হতো না। ১৯৭০ সালে ‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রে একুশে ফেব্রুয়ারির দৃশ্য সংযোজন করে তিনি এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রে জহির রায়হান রবীন্দ্রসংগীত ‘আমার সোনার বাংলা’ এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গান দুটি ব্যবহার করেছেন। ছবির একটি অংশে প্রভাতফেরি ও শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার দৃশ্যও রয়েছে।

১৯৭০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি জহির রায়হান ‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রের জন্য শহীদ মিনারে সরাসরি শুটিং করেন। এই শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা রাজ্জাক, আমজাদ হোসেন, সুচন্দা এবং অন্যান্য শিল্পীরা বিভিন্ন সময়ে স্মরণ করেছেন।

রাজ্জাক তাঁর স্মৃতিচারণায় বলেন, ‘জহির রায়হান ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৭০ এফডিসিতে শুটিং করার সময় জানান যে, পরের দিন ২০ ফেব্রুয়ারি সকালের শিফটের শুটিং শেষে রাতে শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্যটির শুটিং হবে। জহির রায়হান সম্ভবত এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারার ক্ষমতা রাখতেন। বাংলা ভাষায় এখন পর্যন্ত যত ছবি হয়েছে, তার মধ্যে “জীবন থেকে নেয়া” ছবিটিই একুশে ফেব্রুয়ারিকে দারুণভাবে স্পর্শ করেছিল।’

সুচন্দা বলেন, ‘জহির রায়হান একুশে ফেব্রুয়ারির বিষয়টি তুলে ধরে জনতাকে বোঝাতে চেয়েছেন, পাকিস্তানিদের কাছ থেকে কিছু আদায় করতে হলে আন্দোলন করা ছাড়া বিকল্প নেই। ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবিতে একুশকে তিনি এমন চমৎকারভাবে তুলে ধরেছিলেন যে ছবি দেখার সময় মনেই হয়নি এটা আরোপিত কিছু। আর এ বিষয়টি কিন্তু মানুষের মনে বিস্ফোরকের মতো কাজ করেছে ওই সময়।’

আমজাদ হোসেন বলেন, ‘আমরা যা-ই করি, কৃত্রিম কিছু করব না—এই কথাটি আমাদের সবারই ছিল। জহির রায়হান সিদ্ধান্ত দেন, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারেই শুটিং করা হবে। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শিল্পীরা এগিয়ে চলছেন আর জহির রায়হান একের পর এক শট নিচ্ছেন। আমার তো মনে হয়, যত শট নিয়েছিলেন, তার চার ভাগের এক ভাগ দৃশ্য ছবিতে দেখা গেছে।’

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar