1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মাইক্রোক্রেডিটই ভবিষ্যতের ব্যাংকিং: ইউনূসের চোখে নতুন পথের দিশা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

মাইক্রোক্রেডিটই ভবিষ্যতের ব্যাংকিং: ইউনূসের চোখে নতুন পথের দিশা

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫
  • ১৮১ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাংলাদেশে মাইক্রোক্রেডিটই হতে যাচ্ছে ব্যাংকিংয়ের ভবিষ্যৎ—এমন মন্তব্য করেছেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি মাইক্রোক্রেডিটকে এনজিও ভাবনা থেকে সরিয়ে স্বতন্ত্র ব্যাংকিং খাত হিসেবে দেখার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি মাইক্রোক্রেডিটের জন্য একটি আলাদা আইন প্রণয়নেরও সুপারিশ করেন।

শনিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটির (এমআরএ) নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। তার ভাষ্য, ‘‘মাইক্রোক্রেডিট এখনও এনজিও রয়ে গেছে। ব্যাংকিং মেজাজ আনতে হলে একে প্রকৃত অর্থেই ব্যাংকে রূপান্তর করতে হবে।’’

গ্রামীণ ব্যাংকের প্রাথমিক দিনগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, জামানতবিহীন, বিশ্বাসভিত্তিক ব্যাংকই প্রকৃত ব্যাংক। “আজকে জামানতওয়ালা বহু ব্যাংক দেউলিয়া, অথচ মাইক্রোক্রেডিটে কেউ টাকা নিয়ে পালায়নি,” বলেন প্রফেসর ইউনূস।

তিনি উল্লেখ করেন, গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের পর অনেক এনজিও একই ধরনের কার্যক্রমে অংশ নেয়, যা পরবর্তীতে নানা রকমের জটিলতা সৃষ্টি করে। এর ফলে প্রয়োজন দেখা দেয় একটি আলাদা নিয়ন্ত্রণ সংস্থার। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাথমিক অনীহার পর তৎকালীন গভর্নর ফখরুদ্দীন আহমেদের সহযোগিতায় এমআরএর যাত্রা শুরু হয়।

প্রফেসর ইউনূস বলেন, “বাংলাদেশ যে মডেল তৈরি করেছে, তা অনেক দেশের জন্য অনুকরণীয়। নিয়ন্ত্রক কে হবে তা নিয়ে সব দেশেই জটিলতা ছিল। বাংলাদেশ এই সমস্যার সমাধান দিয়েছে।”

অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “মাইক্রোক্রেডিটের নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি নয়, বরং ইউজার-ফ্রেন্ডলি রেগুলেশন প্রয়োজন। আইন এমনভাবে করতে হবে যাতে ব্যবহারকারীদের ওপর বাড়তি চাপ না পড়ে।” এমআরএ-কে প্রমোশনাল অ্যাক্টিভিটিতেও যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, মাইক্রোক্রেডিট খাত এখন ব্যাংকিং খাতের প্রায় ১০ শতাংশ সমপরিমাণ সম্পদ ধারণ করছে। সদস্যদের সঞ্চয় ৬৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, আর উদ্বৃত্ত ৬১ হাজার কোটি টাকারও বেশি। তিনি বলেন, “দাতাদের সহায়তা খুবই সামান্য—মাত্র তিন হাজার কোটি টাকার মতো। এটাই প্রমাণ করে, তারা নিজেদের অর্থে নিজেদের গড়ে তুলছে।”

তিনি জানান, দেশে বর্তমানে মাইক্রোক্রেডিট শাখার সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার, আর এজেন্ট ব্যাংকিং শাখা ছাড়িয়েছে ২০ হাজার। এই খাতে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে বলে উল্লেখ করেন গভর্নর। একইসঙ্গে তিনি জানান, মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেশন নিয়ে নতুন একটি আইনের খসড়া করা হয়েছে, যা শিগগিরই সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. এম আনিসুজ্জামান চৌধুরী।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar