1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বিবিয়ানা শূন্যের পথে: দেশের অর্ধেক গ্যাস সরবরাহ ঝুঁকিতে - bdtelegraph24.com
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

বিবিয়ানা শূন্যের পথে: দেশের অর্ধেক গ্যাস সরবরাহ ঝুঁকিতে

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫৪ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানার গ্যাস মজুত দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি খাতের সর্বশেষ সরকারি ও বিশেষজ্ঞ পর্যবেক্ষণ। খনিটির অধিকাংশ কূপ থেকে ৮০ শতাংশ বা তার বেশি গ্যাস ইতিমধ্যে উত্তোলিত হয়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, নতুন কূপে গ্যাস না মিললে কয়েক বছরের মধ্যেই বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশ।

৩০ জুন পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, ওইদিন দেশের মোট ১৮৩৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের মধ্যে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে এসেছে ৯২৭ মিলিয়ন ঘনফুট—যা দেশের মোট সরবরাহের অর্ধেকেরও বেশি (৫০.৪৬%)। ফলে খনিটির ওপর দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার ভার এখনও অনেকটা নির্ভরশীল।

হাইড্রোকার্বন ইউনিটের প্রতিবেদন বলছে, বিবিয়ানার প্রমাণিত ও সম্ভাব্য মজুত ছিল ৫৩২১.৪ বিসিএফ, যার মধ্যে ইতোমধ্যে উত্তোলন হয়ে গেছে ৪৫৩১ বিসিএফ। ফলে অবশিষ্ট রয়েছে মাত্র ৭৮৯.৭ বিসিএফ গ্যাস। বর্তমানে ২৬টি কূপের মধ্যে ১১টি কূপ থেকে গ্যাস তোলা হচ্ছে, যার মধ্যে অনেকগুলোতেই গ্যাসচাপ কমে গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাচ্ছে। অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, “বিবিয়ানার মজুত দ্রুত কমে যাচ্ছে। দু-এক বছরের মধ্যে উৎপাদন আরও হ্রাস পাবে। আমাদের আমদানি সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় শুধুমাত্র এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভর করে চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে না।”

অন্যদিকে, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শামসুল আলম বলেন, “বিবিয়ানা নিয়ে বহু আগে থেকেই শঙ্কা ছিল, এখন সেটা বাস্তব হুমকিতে পরিণত হয়েছে। সরকারের নানা পরিকল্পনা থাকলেও কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোই একমাত্র টেকসই সমাধান।”

সরকারের পক্ষ থেকে নতুন অনুসন্ধান কূপ খননের উদ্যোগ নেয়া হলেও এখনো উল্লেখযোগ্য সাফল্য আসেনি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকল্প উৎস খোঁজা এবং আমদানি সক্ষমতা বাড়ানো না হলে সামনে জ্বালানি নিরাপত্তা মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar