1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
লাল তালিকায়’ ২০ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: আমানতের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা - bdtelegraph24.com
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

লাল তালিকায়’ ২০ আর্থিক প্রতিষ্ঠান: আমানতের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৮ জুলাই, ২০২৫
  • ২২১ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-সংগৃহীত

বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জামানতের তুলনায় তিনগুণেরও বেশি ঋণ দেওয়ায় দেশের ২০টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ‘লাল তালিকাভুক্ত’ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৮৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, এই ২০টি প্রতিষ্ঠানের ঋণের পরিমাণ ২৫ হাজার ৮০৮ কোটি টাকা হলেও জামানত রয়েছে মাত্র ৬ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকার। অর্থাৎ, ঋণের বিপরীতে জামানতের হার মাত্র ২৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ। গ্রাহকদের মোট আমানতের পরিমাণ প্রায় ২২ হাজার ১২৭ কোটি টাকা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জামানতের ঘাটতির পাশাপাশি ঋণগ্রহীতার আর্থিক সক্ষমতা যাচাই না করাই এমন অবস্থার জন্য দায়ী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে জামানতের তথ্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে যাচাই করা হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এসব প্রতিষ্ঠানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাদের লাইসেন্স বাতিলের আগে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এক সাক্ষাৎকারে জানান, অন্তত ১৫টি প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হওয়ার মুখে। “আমরা এখন অবসায়ন বা একীভূতকরণের মাধ্যমে একটি সমাধানের পথে হাঁটছি। এর জন্য প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে,” বলেন তিনি।

লাল তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে: এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, বিআইএফসি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ইউনিয়ন ক্যাপিটাল, ফার্স্ট ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিংসহ আরও ১৩টি প্রতিষ্ঠান।

ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএনএম গোলাম সাব্বির বলেন, “২০১৯ সালে পিপলস লিজিং বন্ধ হওয়ার পর থেকেই আমানতকারীরা আস্থা হারাচ্ছেন। এখন ৯০ শতাংশ গ্রাহক টাকা ফেরত চাইছেন, কিন্তু ব্যাংক থেকে কোনো সহায়তা আমরা পাচ্ছি না।”

বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণমাধ্যমে কারণ দর্শানোর নোটিশের খবর ছড়িয়ে পড়ায় গোটা খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের অধ্যাপক শাহ মো. আহসান হাবিব মনে করেন, এনবিএফআইগুলো ঋণগ্রহীতার পরিশোধ সক্ষমতা যাচাইয়ে ব্যর্থ হওয়াই মূল সংকটের সূচনা করেছে। জামানত হলো দ্বিতীয় নিরাপত্তা, প্রাথমিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় আর্থিক যাচাইয়ের মাধ্যমে—যা এখানে উপেক্ষিত হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar