1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
সংকটে ষাটগম্বুজ মসজিদ: লবণাক্ততা ও আর্দ্রতার প্রভাবে ১০টি মিহরাব ধসের মুখে - bdtelegraph24.com
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা রুখে দিল বিজিবি আটঘরিয়া উপজেলার নামকরণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আরও সময় চায় বিএনপি ভারতের মণিপুরে নতুন করে সহিংসতা: নিহত ৫, পুড়ল ৩০ বাড়ি-দোকান দিল্লিতে বিক্ষোভ: ৩ হাজার নেতাকর্মী আটক, অচল রাজধানী রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথি হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ নিহত ১২ কুনিয়া মধ্যপাড়া মিনি ফুটবল টুর্নামেন্ট: চ্যাম্পিয়ন আলোর দিশারী স্পোর্টিং ক্লাব মালয়েশিয়ায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের এহতিশামুল হক হিরা ডেটাডেভেলপ প্রাইজ ২০২৬: চ্যাম্পিয়ন রাঙামাটির হোসাইন, যাবেন হংকং নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রি, ভোগান্তিতে সাধারণ গ্রাহক

সংকটে ষাটগম্বুজ মসজিদ: লবণাক্ততা ও আর্দ্রতার প্রভাবে ১০টি মিহরাব ধসের মুখে

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১০৩ জন খবরটি পড়েছেন
shat gambuj mosque

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ রিপোর্ট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্বঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ ভয়াবহ অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে। লবণাক্ততা, আর্দ্রতা ও বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে এই সুলতানি আমলের স্থাপত্যকীর্তির মোট ১০টি মিহরাব (মাঝের প্রধান মিহরাবসহ) দ্রুতগতিতে ক্ষয়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, জরুরি ভিত্তিতে সংরক্ষণ কাজ শুরু না হলে মিহরাবগুলো যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে, যা পুরো স্থাপনাটির মূল কাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলবে।

চুনসুরকি, পোড়ামাটির ইট ও বেলে পাথরের সমন্বয়ে নির্মিত মসজিদটির নিচের অংশে নোনা পানি শুকিয়ে লবণের স্ফটিক জমা হচ্ছে। এসব স্ফটিক ইট-পাথরের বন্ধনকে দ্রুত দুর্বল করে দেওয়ায় দেয়ালে সাদা লবণের স্তর, ফাটল ও খসে পড়া অংশ দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মিহরাবের অলংকরণ দ্রুত বিবর্ণ হয়ে যাচ্ছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি ও আইকমসের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, তাপমাত্রার পরিবর্তন, অতিরিক্ত আর্দ্রতা, বায়ুদূষণ এবং লবণাক্ততার মাত্রা বৃদ্ধির কারণে মসজিদের ক্ষয় গত কয়েক বছরে বহুগুণ বেড়েছে। এই গবেষণার ভিত্তিতে গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রধান ও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ড. মো. শফিকুল আলম সতর্ক করেন, সিডর ও আইলার মতো জলোচ্ছ্বাস থেকে আসা লবণাক্ত পানি মিহরাবগুলোতে বড় ক্ষতি করেছে। বেলে পাথর নরম হওয়ায় লবণের আক্রমণে দ্রুত ভেঙে যাচ্ছে। স্তম্ভে শূন্যতা তৈরি হওয়ায় এবং পাথর ধরে রাখা লোহার ক্ল্যাম্পে জং ধরার কারণে যেকোনো সময় মিহরাবগুলো ভেঙে পড়তে পারে।

তিনি আরও বলেন, মিহরাব ধসে পড়লে ইউনেস্কো ষাটগম্বুজ মসজিদকে ‘বিপজ্জনক বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকায় স্থান দিতে পারে, যা জাতীয় মর্যাদার জন্য বড় আঘাত হবে।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক লাভলী ইয়াসমিন জানিয়েছেন, দ্রুতই মসজিদের প্রতিটি দেয়াল, গম্বুজ, মিহরাব ও স্তম্ভের ক্ষয়চিত্র তৈরি করা হবে। এরপর ইউনেস্কোর সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ত করে দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণ ও সংস্কার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। তিনি দেশে পাথর সংরক্ষণে দক্ষ জনবলের অভাবের কথা উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সহায়তা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন। প্রতিবেদনে সাময়িক সংরক্ষণ কাজ জরুরি ভিত্তিতে শুরু করারও সুপারিশ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়োচিত ব্যবস্থা না নিলে দক্ষিণ এশিয়ার এই অনন্য স্থাপত্য ঐতিহ্য মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar