শত বছরের পুরনো রাজবাড়ী, ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির কারণে পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলা একটি অনন্য পরিচিতি বহন করে। বড়াল নদীর তীরে গড়ে ওঠা এই উপজেলাটি সংস্কৃতি ও শিক্ষায় বেশ অগ্রসর।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ফরিদপুর উপজেলার মূল আকর্ষণ হলো রাজা বনমালী রায় বাহাদুর এর রাজবাড়ী, যা শত বছরের ইতিহাস বহন করে। এই রাজার নামেই উপজেলার প্রধান বাজারটির নামকরণ করা হয়েছে বনওয়ারীনগর বাজার। ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে শতবর্ষী বনওয়ারীনগর সরকারি করোরেশন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় এবং আল্লাহ-আবাদ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, যা স্থানীয় শিক্ষার মানকে উন্নত করেছে।
উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,২৩,৯১৯ জন, যেখানে পুরুষের সংখ্যা সামান্য বেশি। সাত বছর বা তার বেশি বয়সের মানুষের মধ্যে শিক্ষার হার ৫০ শতাংশের বেশি। পুরুষের শিক্ষার হার ৫১% হলেও মেয়েদের শিক্ষার হার ৪৩%।
ফরিদপুর উপজেলার অর্থনীতি প্রধানত কৃষি নির্ভর। এখানকার প্রায় ৭৫ থেকে ৮৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। ধান, সরিষা, গম, পাট, খেসারি ও পিঁয়াজ এখানকার প্রধান ফসল।
ঐতিহ্যবাহী স্থান ছাড়াও, শাহ ফরিদপুরীর মাজার, হাদল সৈকত এবং বিলচান্দক সৈকত এখানকার অন্যতম দর্শনীয় স্থান।
ভৌগলিকভাবে ২৪.০০৫’-২৪.০১৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১৭-৮৯.০২৭ পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত ফরিদপুর উপজেলাটি ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। বিখ্যাত বৈমানিক মোঃ সাইফুল আজম এবং প্রয়াত অভিনেতা মাসুম আজিজ এই উপজেলারই কৃতি সন্তান।