1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
আজ ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আজ ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪১ জন খবরটি পড়েছেন

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ডেস্ক।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

আজ (৬ ডিসেম্বর) ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে বাংলাদেশের প্রাচীনতম এই জেলাকে প্রথম শত্রুমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছিল। এদিন দুপুরের পরপরই যশোর সেনানিবাস ছেড়ে পালিয়ে যায় পাক বাহিনী, যার মধ্য দিয়ে প্রথম উঠেছিল বিজয়ী বাংলাদেশের রক্ত সূর্যখচিত গাঢ় সবুজ পতাকা।

দীর্ঘ নয় মাস ধরে চলা প্রতিরোধ যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ৫ ও ৬ ডিসেম্বর যশোর অঞ্চল ছিল চূড়ান্ত রণক্ষেত্র। বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স-মুজিব বাহিনীর (বিএলএফ) বৃহত্তর যশোর জেলার উপ-অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম জানান, ৩, ৪ ও ৫ ডিসেম্বর যশোর অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচণ্ড যুদ্ধ হয়। মিত্রবাহিনীর বিমান হামলা ও গোলা নিক্ষেপে পর্যদস্তু পাক বাহিনী ৫ ডিসেম্বর থেকেই মূলত পলায়ন শুরু করে।

৬ ডিসেম্বর বিকেলের আগে যশোর সেনানিবাস পুরোপুরি খালি করে শত্রুরা খুলনার গিলাতলা সেনানিবাসের দিকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। বিকেলে মিত্র বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল বারাতের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তি বাহিনী বিজয়ীর বেশে সেনানিবাসে প্রবেশ করে দখল নেয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে মুক্তির আনন্দে উচ্ছ্বসিত মুক্তিযোদ্ধা ও জনতার ঢল নামে শহরে।

সংগ্রামের প্রথম শহীদ ও বিদ্রোহের ইতিহাস

মুক্তির পথ মোটেও সহজ ছিল না। উত্তাল একাত্তরের ৩ মার্চ যশোর কালেক্টরেটের সামনে এক জঙ্গি মিছিলে হানাদার বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন চারুবালা কর, যিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে যশোরের প্রথম শহীদ।

এরপর ৩০ মার্চ ক্যাপ্টেন হাফিজের নেতৃত্বে যশোর সেনানিবাসের বাঙালি সৈনিকেরা বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। ২৬শে মার্চ রাতে জননেতা মশিয়ূর রহমানকে নৃশংস নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করে পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনী।

যশোর ছিল মুক্তিযুদ্ধের ৮নং রণাঙ্গন, যার কমান্ডার ছিলেন মেজর মঞ্জুর। ২০ নভেম্বর সম্মিলিত বাহিনী যশোর সেনানিবাস দখলে অভিযান শুরু করে এবং ২২ নভেম্বর রাতে পাক বাহিনীর শক্তিশালী ঘাঁটি চৌগাছার পতন হয়। এই ধারাবাহিক পরাজয়ের জেরেই ব্রিগেডিয়ার হায়াত খানের নেতৃত্বাধীন পাক বাহিনী ৬ ডিসেম্বর খুলনা অভিমুখে পালাতে বাধ্য হয়।

স্মরণ ও কর্মসূচি-

ঐতিহাসিক যশোর মুক্ত দিবস উপলক্ষে যশোর জেলা প্রশাসন আজ শনিবার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সকাল ১০টায় ঐতিহাসিক টাউন হল ময়দানে জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান এসব কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar