1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী: খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্থানের গল্প - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী: খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উত্থানের গল্প

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮০ জন খবরটি পড়েছেন

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ডেস্ক।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে পরিচিত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল আকস্মিক ও অনিচ্ছাকৃতভাবে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের শিকার হলে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণভাবে একজন গৃহবধূ। দুই সন্তান—তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে তখন তিনি ঢাকা সেনানিবাসে বসবাস করতেন এবং রাজনীতির সঙ্গে তার সরাসরি কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।

জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপি পড়ে যায় গভীর সংকটে। দলটি হয়ে ওঠে নেতৃত্বহীন ও বিভক্ত। ভাইস প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আব্দুস সাত্তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন। তবে তার বয়স ও নেতৃত্বের দুর্বলতা নিয়ে দলের ভেতরে প্রশ্ন ওঠে। কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হবে কি না—এ নিয়েও শুরু হয় তীব্র মতভেদ।

এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির একটি অংশ খালেদা জিয়াকে রাজনীতিতে আনার কথা ভাবতে শুরু করে। তাদের যুক্তি ছিল, জিয়াউর রহমানের উত্তরাধিকার বহনকারী হিসেবে তিনিই দলের ঐক্যের প্রতীক হতে পারেন। তবে শুরুতে খালেদা জিয়া রাজনীতিতে আসতে আগ্রহী ছিলেন না। স্বামীর নৃশংস হত্যাকাণ্ড, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং পারিবারিক অনীহার কারণে তিনি দ্বিধায় ছিলেন।

প্রয়াত সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ তার বইয়ে উল্লেখ করেছেন, জিয়াউর রহমানের আকস্মিক মৃত্যু খালেদা জিয়ার মনে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছিল। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতা সামাল দিতে পারবেন কি না—সেই প্রশ্নও তাকে ভাবিয়ে তুলেছিল।

তবুও বিএনপির নেতাকর্মীদের ধারাবাহিক অনুরোধে এবং দল ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় শেষ পর্যন্ত তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য হন। পরে দ্রুতই দলের শীর্ষ নেতৃত্বে উঠে আসেন এবং ১৯৮৪ সালের ১০ মে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন।

চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ১৯৮৩ সালে তার নেতৃত্বে গঠিত হয় সাতদলীয় ঐক্যজোট। দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।

নির্বাচনী রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার একটি অনন্য রেকর্ড রয়েছে। পাঁচটি সংসদ নির্বাচনে ২৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রতিটি আসনেই তিনি জয়ী হন।

এক অনিচ্ছুক ও লাজুক গৃহবধূ থেকে দেশের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসা এই নেত্রী পরবর্তীতে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar