1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতার ফাঁকফোকর ও জনস্বার্থের সংকট: নিরাপত্তা ও প্রশাসনে আস্থাহীনতার বাস্তবতা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ মহিপুরে ১ কেজি ৯০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৬ হাজার ৬৫০ টাকায় ভারত ও নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: নিহত ৭০ বাংলার জমিনে কাউকে সন্ত্রাস করতে দেয়া যাবেনা- স্বাস্থ্যমন্ত্রী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করেনি সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাবনায় ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা ভারতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ২৭৫ কিমি দূরে নিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ প্রণালিতে ১৯ জাহাজে ইরানের হামলা, মার্কিন ডুবোযান আটক অভয়নগরে সন্তানসহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মেলেনি ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতার ফাঁকফোকর ও জনস্বার্থের সংকট: নিরাপত্তা ও প্রশাসনে আস্থাহীনতার বাস্তবতা

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৩৮ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও শাসনব্যবস্থার মূল স্তম্ভ হিসেবে পুলিশ, প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের আস্থা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অপরিহার্য শর্ত। কিন্তু সাম্প্রতিক বাস্তবতায় এ আস্থার ভিত নড়বড়ে হয়ে পড়ছে—এমন অভিযোগ ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। নাগরিক সমাজ, মানবাধিকারকর্মী ও ভুক্তভোগীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন, রাজনৈতিক প্রভাব এবং আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা ও জনবান্ধব চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বিভিন্ন ঘটনায় দেখা যায়, আইন প্রয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে সমতা ও ন্যায়ের মানদণ্ড একরকম থাকে না। প্রভাবশালী মহলের নির্দেশনা, আমলাতান্ত্রিক স্বার্থ ও অর্থনৈতিক লেনদেন অনেক সময় সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করছে—এমন অভিযোগ উঠছে। ফলে সাধারণ নাগরিকের ন্যায়বিচার পাওয়ার পথ দীর্ঘ ও অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে, আর ক্ষমতাবানদের জন্য নিয়ম যেন আলাদা হয়ে যাচ্ছে—এই বৈষম্যের বোধ সমাজে গভীর অসন্তোষ তৈরি করছে।

পুলিশি সেবায় ঘুষ, প্রশাসনিক ফাইল চলাচলে বিলম্ব ও ‘তদবির’ সংস্কৃতি, কিংবা শৃঙ্খলাবাহিনীর অভ্যন্তরে জবাবদিহির ঘাটতি—এসব অভিযোগ নতুন নয়। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব অনিয়ম যখন প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নেয়, তখন তা ব্যক্তিগত বিচ্যুতি নয়, বরং কাঠামোগত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়। স্বচ্ছতা ও অভ্যন্তরীণ নজরদারি দুর্বল হলে ক্ষমতার অপব্যবহার সহজ হয়, আর দায়মুক্তির সংস্কৃতি শক্তিশালী হয়।

এ প্রেক্ষাপটে ‘ফ্যাসিবাদী কাঠামো’ শব্দবন্ধটি ব্যবহৃত হচ্ছে সেই প্রবণতা বোঝাতে, যেখানে মতপ্রকাশ ও বিরোধিতাকে দমনে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কঠোরভাবে প্রয়োগ হয়, অথচ ক্ষমতাবানদের ক্ষেত্রে আইন নমনীয় থাকে। এতে আইনের শাসন ক্ষতিগ্রস্ত হয়, নাগরিক স্বাধীনতা সংকুচিত হয় এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রতিবেদনেও এমন উদ্বেগ প্রতিফলিত হচ্ছে।

সমাধানের পথ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা জোর দিচ্ছেন স্বাধীন তদন্ত, শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক নজরদারি, সম্পদ ও সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা, এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নিয়োগ-পদোন্নতির ওপর। একই সঙ্গে অভিযোগ নিষ্পত্তিতে দ্রুততা ও শাস্তির নিশ্চয়তা ফিরিয়ে আনলে আস্থা পুনর্গঠন সম্ভব। রাষ্ট্রের শক্তি তার অস্ত্র বা ক্ষমতায় নয়, বরং নাগরিকের আস্থায়—এই সত্য উপলব্ধি করেই সংস্কারের পথে এগোনো এখন সময়ের দাবি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar