1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
নির্বাচন কেন্দ্রিক বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতাঃশিক্ষাক্ষেত্রে এর প্রভাব ও সম্ভাব্য প্রতিকার - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ মহিপুরে ১ কেজি ৯০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৬ হাজার ৬৫০ টাকায় ভারত ও নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: নিহত ৭০ বাংলার জমিনে কাউকে সন্ত্রাস করতে দেয়া যাবেনা- স্বাস্থ্যমন্ত্রী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করেনি সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাবনায় ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা ভারতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ২৭৫ কিমি দূরে নিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ প্রণালিতে ১৯ জাহাজে ইরানের হামলা, মার্কিন ডুবোযান আটক অভয়নগরে সন্তানসহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মেলেনি ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

নির্বাচন কেন্দ্রিক বাংলাদেশে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতাঃশিক্ষাক্ষেত্রে এর প্রভাব ও সম্ভাব্য প্রতিকার

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১১৪ জন খবরটি পড়েছেন

সাইদুর রহমান (সাঈদ)।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় নির্বাচন একটি অনিবার্য ও গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া,যা দেশের শাসন কাঠামোর ভিত্তি গড়ে দেয়।এটি কেবল শাসক নির্ধারণের পদ্ধতি নয়, বরং জনগণের মতপ্রকাশ, রাষ্ট্রীয় কাঠামোর স্থিতিশীলতা এবং রাজনৈতিক বৈধতার প্রধান ভিত্তি।ঠিক তেমনি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নির্বাচন শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা পরিবর্তনের মাধ্যম নয়; বরং তা একটি সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক অভিঘাতও তৈরি করে।তবে দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে-বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নির্বাচন প্রায়শই অস্থিরতা, সংঘর্ষ, হরতাল ও সহিংসতার প্রতিশব্দে পরিণত হয়েছে। এমনকি নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসে, রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সামাজিক অস্থিরতাও ততই বাড়ে।এই অস্থিরতা সমাজের সর্বস্তরে নেতিবাচক প্রভাব ফেললেও সবচেয়ে স্পষ্টভাবে তা পরিলক্ষিত হয় শিক্ষাক্ষেত্রে।যেমন-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে বিঘ্ন, পরীক্ষা স্থগিত হওয়া, একাডেমিক ক্যালেন্ডারের চরম বিশৃঙ্খলা, শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ এবং দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তা-সব মিলিয়ে একটি প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস শুরু থেকেই অস্থিরতা, আন্দোলন, এবং সংঘর্ষে পূর্ণ। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমলের স্বাধিকার সংগ্রাম এবং পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠা-সব ক্ষেত্রেই রাজনীতির সাথে জড়িয়ে রয়েছে বৃহৎ জনসম্পৃক্ততা এবং সংঘাতের একটি প্রবণতা। সেই ধারাবাহিকতায়,১৯৭২ সালের সংবিধানে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের রূপরেখা নির্ধারিত হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা কমেনি।১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ড এবং সামরিক শাসনের সূচনার মাধ্যমে দেশে একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার অধ্যায় শুরু হয়।পরবর্তীতে ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে সামরিক শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা চালু হলেও রাজনৈতিক সংঘাতের সংস্কৃতি একপ্রকার অব্যাহত থাকে।এমনকি ১৯৯১ সাল থেকে শুরু হওয়া বহুদলীয় গণতন্ত্রে নির্বাচন একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবে চালু হলেও তা কখনোই পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য ও সহিংসতামুক্ত হতে পারেনি।উল্লেখযোগ্যভাবে,১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ছিল একতরফা ও বিতর্কিত, যার ফলে মাত্র ১২ দিনেই সংসদ ভেঙে দিতে হয়।২০০৬–০৮ সালের রাজনৈতিক সংকট দেশজুড়ে প্রশাসনিক অচলাবস্থা সৃষ্টি করে এবং সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণে বাধ্য হয়।২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন ছিল ব্যাপকভাবে বয়কটপ্রবণ ও সহিংসতাময়, যেখানে ১৫৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাবিহীনভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে সন্দেহজনক ভোটগ্রহণ নিয়েও নানা অভিযোগ উঠে।২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী দলের বর্জন, রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়ন এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের উদ্বেগ এসব কিছুই রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রকৃতি ও পরিণতির একটি সাম্প্রতিক প্রতিচ্ছবি।

মুলত নির্বাচনগুলোতে বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ থাকে যে, ক্ষমতাসীন দল প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে এনে নির্বাচনকে প্রভাবিত করছে।অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন দল বিরোধীদের ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলে।তাছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক অসহিষ্ণুতা,সংলাপ ও সমঝোতার অনীহা,ক্ষমতা হারানোর ভয়ে রক্ষণশীল অবস্থান,গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অভাব,সামাজিক প্রচারমাধ্যমগুলোর একপাক্ষিক প্রচার,গুজব ও অপপ্রচার,বারবার সামরিক হস্তক্ষেপ এবং অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখল, সংবিধান ও নির্বাচনী আইনের অস্পষ্টতা এবং দুর্বল প্রয়োগ আবার আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঘটনাবলি ঘিরে নানা ধরণের কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া এই অস্থিরতাকে দীর্ঘস্থায়ী করে তুলেছে, যার ফলে প্রভাব পড়ছে জাতীয় উন্নয়ন, সুশাসন এবং সর্বোপরি শিক্ষার পরিবেশে।অথচ একটি জাতির মানবসম্পদ গঠনের প্রধান ভিত্তি হলো তার শিক্ষা ব্যবস্থা।কিন্তু নির্বাচনকেন্দ্রিক সংঘর্ষ, হরতাল, অবরোধ, সহিংসতা, এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা বারবার এই শিক্ষাব্যবস্থার স্বাভাবিক প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে, যা কেবল তাৎক্ষণিক ক্ষতিই নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদে জাতির অগ্রগতিকে মন্থর করে দিচ্ছে। তাই সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গবেষণা ও সংবাদ প্রতিবেদনে এসবের চিত্র উঠে এসেছে।যেমন-
Human Rights Watch (2018) এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ২০,০০০-এরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় ১০ দিন ধরে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে ক্লাস হয়নি।ফলে শিক্ষকদের মধ্যে ৬৭% অনিয়মিত হয়ে পড়েছিলেন নির্বাচনের সপ্তাহখানেক আগে ও পরে।আবার ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক সহিংসতায় ২৭ জন নিহত এবং ৫০০+ আহত হয়েছিলেন এদের মধ্যে অনেকই শিক্ষার্থী ছিলেন।”
UNICEF Bangladesh (2021) এর রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্বাচনকালীন সময়ে ৮০% স্কুল ও কলেজে পাঠদান বিঘ্নিত হয়।অস্থিরতার কারণে শিক্ষার্থীদের বাৎসরিক ১২% শিক্ষাক্রম কাভারেজ কমে।১৪-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে মনোবৈকল্য ও হতাশা বৃদ্ধি পেয়েছে ২১%।
Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics (BANBEIS,2023) এর রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্বাচনের আগে ও পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিতির হার গড়ে ১৯% হ্রাস পায়।এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে গড়ভাবে ৩–৪ সপ্তাহের ব্যাঘাত ঘটে।প্রাইভেট ও কোচিং নির্ভরতা ৩৫% পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে।
Election Working Group (EWG,2024) এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বিগত ৫টি জাতীয় নির্বাচনে প্রতি নির্বাচনে গড়ে ১৫০টির বেশি সহিংস ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতা ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

অথচ বিশ্বের অনেক দেশ ভিন্ন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে নির্বাচনের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হলেও শিক্ষা কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।এমনকি কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ে শিক্ষার প্রতি রাজনৈতিক সহনশীলতা অধিকতর দৃশ্যমান।শ্রীলঙ্কায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে রাজনীতি থাকলেও তা সাংগঠনিক ও নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। জাপান ও ফিনল্যান্ডে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা কঠোরভাবে অনুসৃত হয় এবং সরকার পরিবর্তনের ফলে শিক্ষানীতিতে আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে না। বিপরীতে বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থা ও রাজনীতি একে অপরের ওপর এমনভাবে নির্ভরশীল যে নির্বাচন ঘনিয়ে এলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বারবার বন্ধ ঘোষণা করা হয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজনৈতিক মিছিল-মিটিংয়ের স্থান হয়ে ওঠে, এবং কখনো কখনো সহিংসতার শিকার হয়।আবার সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষানীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়, যা ধারাবাহিকতা ও গুণগত মান বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

নির্বাচন গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ, কিন্তু যদি তা সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও অবিশ্বাসের উৎসে পরিণত হয়, তবে তার অভিঘাত সবচেয়ে বেশি পড়ে শিক্ষার উপরেই।ঠিক তেমনি নির্বাচনকেন্দ্রিক রাজনৈতিক অস্থিরতা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামো, প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা এবং সর্বোপরি শিক্ষাব্যবস্থার ওপর ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জ্ঞান, দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।আর এই অস্থিরতা থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন একটি অংশগ্রহণমূলক, সহনশীল ও সুশাসনভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি। তাছাড়া নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘নিরপেক্ষ অঞ্চল’ হিসেবে বিবেচনা,অনলাইন ক্লাস, ডিস্টেন্স লার্নিং, বিকল্প পরীক্ষা কেন্দ্র অথ্যাৎ প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা,তরুণ প্রজন্মের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি, গণমাধ্যম ও বুদ্ধিজীবীদের তথ্যনির্ভর ও গবেষণাভিত্তিক আলোচনার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরি সর্বোপরি, রাষ্ট্র, সমাজ ও ব্যক্তি সবার সম্মিলিত প্রয়াসে একটি সহনশীল, গণতান্ত্রিক ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুললেই কেবল রাজনৈতিক অস্থিরতার বিরূপ প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। তাই আমরা চাই নির্বাচনকে ঘিরে সংঘাতের বদলে সংলাপ, সহমত এবং স্বচ্ছ প্রক্রিয়া যেখানে বিরোধী মতের প্রতি থাকবে শ্রদ্ধা, এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো থাকবে নিরপেক্ষ।একই সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনীতিমুক্ত একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল এবং মননশীল পরিবেশ নিশ্চিত করা সময়ের দাবি, যাতে রাজনৈতিক অস্থিরতা যেন শিক্ষাক্ষেত্রের পথের কাঁটা না হয়ে বরং শিক্ষা হোক সেই আলোর পথ, যা একটি উন্নত, সহনশীল ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশের ভিত গড়ে তুলবে।কারণ এটি কেবল একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নয়, বরং রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি।

লেখক
সাইদুর রহমান (সাঈদ)
বি.এ, এম.এ, ইতিহাস বিভাগ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar