ঢাকা | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেছে। গত কয়েকদিনের ব্যবধানে রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে এখন ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসরণেও রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের হালনাগাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৮৬২ দশমিক ০২ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আইএমএফ-এর আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিপিএম-৬ (BPM6) পদ্ধতি অনুযায়ী, বর্তমানে প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ হাজার ১০৭ দশমিক ৮২ মিলিয়ন বা ৩০ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার।
মাত্র কয়েকদিন আগেই এই চিত্রটি কিছুটা কম ছিল। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে তা ছিল ৩০ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ চার দিনের ব্যবধানে দুই পদ্ধতিতেই রিজার্ভের সূচক ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে।
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে দুই ধরনের রিজার্ভের তথ্য প্রকাশ করে। একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব (গ্রস), অন্যটি আইএমএফ-এর বিপিএম-৬ পদ্ধতি। এই বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, মোট রিজার্ভ থেকে বিভিন্ন স্বল্পমেয়াদি দায় ও গ্যারান্টি বিয়োগ করে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। অর্থনীতিবিদদের মতে, দেশের প্রকৃত খরচ করার যোগ্য সক্ষমতা এই নিট রিজার্ভের মাধ্যমেই প্রতিফলিত হয়।
আমদানি ব্যয় মেটানো এবং ডলার বাজারের অস্থিরতা কাটাতে রিজার্ভের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।