নিউজ ডেস্ক
সোমবার (৩১ আগস্ট), রাত ৯টা ৩০ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে-স্কেল মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেয়েছে। সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বাজেটের ওপর চাপ কমাতে দুই অর্থবছরে মোট তিন ধাপে এই বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৪২ ও সর্বনিম্ন ১০০ শতাংশ বেতন বাড়বে। এতে গ্রেড-১-এর জন্য ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের জন্য ২০ হাজার টাকা বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে প্রথম ধাপের ৩০ শতাংশ, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে দ্বিতীয় ধাপে ৩৫ শতাংশ এবং পরবর্তী অর্থবছরের জুলাই ও জানুয়ারিতে অবশিষ্ট অংশ বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে।
অর্থ বিভাগের সূত্র জানায়, আগামী সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে নবম পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। সবকিছু ঠিক থাকলে অক্টোবর মাস থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাবেন। গেজেট প্রকাশে দেরি হলেও নতুন বেতন কাঠামোটি চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। এর ফলে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের বকেয়া অর্থ পরবর্তী সময়ে সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখতেই ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের এই কৌশল গ্রহণ করেছে সরকার।
সচিব কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে প্রথম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। কমিশনের মূল সুপারিশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করে সরকারের আর্থিক সক্ষমতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে বেতন বৃদ্ধির হার যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা হচ্ছে।
বর্তমানে মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি প্রয়োজনীয় যাচাই ও পর্যালোচনার (ভেটিং) জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই প্রজ্ঞাপন জারির চূড়ান্ত পথ উন্মুক্ত হবে।