নিজস্ব প্রতিবেদক
রবিবার (১৮ অক্টোবর), ২০২৬ | বিকেল ৫টা ৯ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
পরিকল্পনা ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে মানুষের কল্যাণে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের আমিনবাজারে সড়কের পাশে গাছের চারা রোপণ করে সবুজায়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত দুই মাসে আমিনবাজার এলাকায় যে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে, তা এর বড় প্রমাণ। এলাকাটি যেমন দৃষ্টিনন্দন হয়েছে, তেমনি আশপাশের মানুষের জন্য সুন্দর পরিবেশে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘পরিবেশের সৌন্দর্য ধরে রাখতে স্থানীয় জনগণকে দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি এলাকাবাসীর সহযোগিতা থাকলে পরিবেশদূষণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে সমাধান করা সম্ভব হবে।’
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা বেগমসহ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি ঢাকা জেলা প্রশাসককে আমিনবাজারের আশপাশে সবুজায়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণের নির্দেশ দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে থাকা মিল ও কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্দিষ্ট কিছু জায়গার পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব তাদের দেওয়া যেতে পারে। যেসব স্থানে এখনো ময়লা জমে রয়েছে, সেসব জায়গা উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে আমিনবাজার ও এর আশপাশের এলাকার সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে পরিবেশদূষণ কমিয়ে স্থানীয় মানুষের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।’
এ বিষয়ে সহযোগিতার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের সঙ্গে জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করলে এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে সমাধান করা সম্ভব।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ যেন নির্মল পরিবেশে বুকভরে শ্বাস নিতে পারে এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারে, সে লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ঢাকা জেলা প্রশাসক আমিনবাজারে পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য জেলার প্রশাসকদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, অন্যান্য জেলার প্রশাসকরাও নিজ নিজ এলাকায় অনুরূপ পদক্ষেপ নেবেন।