নিউজ ডেস্ক
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর), ২০২৬ | সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ইরানের কেশম দ্বীপে সোমবার সামরিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে হামলার খবরের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসানে আলোচনার অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে চালানো সীমিত পরিসরের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের সর্বশেষ ঘটনা। হরমুজ প্রণালীর মধ্যে অবস্থিত কেশম দ্বীপটি ইরানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, দ্বীপটিতে অল্প সময়ের ব্যবধানে পরপর পাঁচটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা আকাশে দুটি উড়োজাহাজ উড়তে দেখেছেন।
হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সাংবাদিকদের যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলে। তবে সোমবার গভীর রাত পর্যন্ত সেন্টকমের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের বিভিন্ন স্থানে ছোট পরিসরে সামরিক হামলা চালিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের একাংশ এসব হামলাকে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরানের সম্ভাব্য হামলা ঠেকানোই এসব অভিযানের উদ্দেশ্য।
শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগের দিন সোমবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হতে পারে। তেহরানের সঙ্গে সমঝোতার বিষয়ে তার এই বক্তব্যে চলমান সংঘাতের অবসান নিয়ে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এই সংবাদের পর সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৭ শতাংশের বেশি কমে যায়।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্র এসব হামলার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরুর বার্তা যাতে না যায়, সে কারণেই হামলার বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।