1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
৭ নভেম্বর: যেভাবে বন্দীদশা থেকে ক্ষমতার কেন্দ্রে এলেন জিয়াউর রহমান - bdtelegraph24.com
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজধানীর সব সড়কজুড়ে মিছিল, জনসমুদ্র নয়াপল্টন ৭ নভেম্বর: যেভাবে বন্দীদশা থেকে ক্ষমতার কেন্দ্রে এলেন জিয়াউর রহমান অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্রে সিসার ঝুঁকি: মান নিয়ন্ত্রণে নেই কার্যকর ব্যবস্থা কেনিয়ায় ১৯১ জনকে অনাহারে মৃত্যুর ঘটনায় ধর্মগুরুর ২০০ বছরের কারাদণ্ড সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কক্সবাজারের ৭ বাংলাদেশি নিহত বাঘারপাড়ায় বিএনপির আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত নাসিরনগরের বাঘি গ্রামের ডোবা থেকে অর্ধগলিত অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক নবীনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জামালপুরে ট্রাকের ধাক্কায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪ গ্রাম পুলিশের বেতন ও ভাতা বৃদ্ধি, নতুন নিয়োগের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

৭ নভেম্বর: যেভাবে বন্দীদশা থেকে ক্ষমতার কেন্দ্রে এলেন জিয়াউর রহমান

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৮ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
শনিবার (৭ নভেম্বর ২০২৬), রাত ৯টা

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর অভ্যুত্থানের পর বন্দি থাকা তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ৭ নভেম্বর পাল্টা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে মুক্ত হন। কর্নেল (অব.) আবু তাহের ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সহায়তায় সংঘটিত এই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বদলে দেয় এবং জিয়াউর রহমানকে ক্ষমতার কেন্দ্রে নিয়ে আসে।

১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর রাতে ঢাকা সেনানিবাসে লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে অস্থিরতা শুরু হয়। সেই রাতে সেনানিবাসে কর্মরত মেজর সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম জানান, লিফলেটে অফিসারদের হত্যার ইঙ্গিত ছিল। রাত ১২টার পর গুলির শব্দে সেনানিবাস প্রকম্পিত হয়ে ওঠে এবং সৈন্যরা ব্যারাক ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে।

জাসদের গণবাহিনীর তৎকালীন প্রধান আনোয়ার হোসেন বলেন, কর্নেল তাহেরের পরিকল্পনা ছিল সৈনিক-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিপ্লবী কমান্ড কাউন্সিল গঠন করা। জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে নিজেদের পাশে পাওয়ার লক্ষ্য ছিল তাদের। তবে মুক্ত হওয়ার পর জিয়াউর রহমান জাসদের পরিকল্পনায় সাড়া না দিয়ে সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা ফেরানোর দিকে মনোযোগ দেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেনের ‘বাংলাদেশ রক্তাক্ত অধ্যায়: ১৯৭৫-৮১’ বই অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর সকালে খালেদ মোশারফ, কর্নেল নাজমুল হুদা ও লে. কর্নেল এটিএম হায়দারকে ১০ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসে হত্যা করা হয়।

সেনাবাহিনীর তৎকালীন মেজর ও পরবর্তীতে সেনাপ্রধান মাহবুবুর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীতে কমান্ড ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠায় কঠোর ভূমিকা নেন। তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমান বিভিন্ন সেনানিবাসে ছুটে গিয়ে কমান্ড প্রতিষ্ঠা করেছেন। তখন সৈনিকরা কেউ অস্ত্র জমা দিচ্ছিল না, কেউ কাউকে মানছিল না। এমন পরিস্থিতিতে শৃঙ্খলা ফেরানো ছিল বড় চ্যালেঞ্জ।”

৭ নভেম্বরের দুই সপ্তাহের মধ্যে জিয়াউর রহমান উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরবর্তীতে কর্নেল তাহেরকে বিচারের মুখোমুখি করা হয়। জেনারেল মাহবুবুর রহমান জানান, সেনাবাহিনীর অফিসারদের দাবির মুখে এবং শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এই বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ১৯৭৬ সালের ২১ জুলাই কর্নেল তাহেরকে ফাঁসি দেওয়া হয়, তবে ২০১১ সালে হাইকোর্ট এই বিচারকে অবৈধ ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বরকে বিএনপি ‘সিপাহী-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ এবং আওয়ামী লীগ ‘মুক্তিযোদ্ধা হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে। বাংলাদেশের ইতিহাসে দিনটি এখনো একটি বড় রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয়। সূত্র- বিবিসি

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar