1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বাঘারপাড়ায় তালের চারা রোপনে বরাদ্দ ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা লোপাট - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
‘পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাওয়ার জন্যই’: হবিগঞ্জে এএসআইয়ের ভিডিও ভাইরাল পার্বত্য সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ৩৭ বিজিবির নিয়মিত অভিযান কালিয়াকৈরে তীব্র এলপিজি সংকট: বাড়তি দামেও মিলছে না সিলিন্ডার বনদস্যুদের সহযোগিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মেহেদী, বিল্লাল ও ইয়াসিনের বিরুদ্ধে মানববন্ধন চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দ করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে কারমাইকেল কলেজে যুব রেড ক্রিসেন্টের সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান রাঙামাটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিসহ গ্রেপ্তার ৪ কুষ্টিয়া সীমান্তে ভারতে পাচারকালে ৯,২৫০ কেজি সার উদ্ধার রাজশাহীতে বাড়ছে রিকশা, যানজট নিয়ন্ত্রণে ৮ দফা প্রস্তাব সচেতন নাগরিকদের

বাঘারপাড়ায় তালের চারা রোপনে বরাদ্দ ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা লোপাট

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৮৩ জন খবরটি পড়েছেন

চারার কোন অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়নি

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাঘারপাড়া প্রতিনিধি।

যশোরের বাঘারপাড়ার নারিকেলবাড়ীয় ইউনিয়নে ২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রথম পর্যায় গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) ,কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) ও কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচির অধীনে নানা প্রকল্পে অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় লোকজনের দাবি, এসব প্রকল্পের কোথাও নামেমাত্র কাজ হয়েছে, কোথাও কাজ না করেই টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। আবার কিছু প্রকল্প শুধু কাগজে কলমে আছে, বাস্তবে কাজের কোনো অস্তিত্ব নেই।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতার্র কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, এ ইউনিয়নে প্রথম পর্যায়ে টিআর কর্মসূচির আওতায় ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭শ৭৯ টাকা , কাবিটা / কাবিখা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৬৮ টাকা , ৩.৯০ মেট্রিক টন চাল ও ৩.৯০ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়। গত বছরের ৩০ নভেম্বর মধ্যে এসব প্রকল্পের জন্য বরাদ্দের টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের বিষয়ে খেঁাজ নিতে গেলে দেখা গেছে ক্ষেত্রপালা এতিমখানা পাঁকা রাস্তা হইতে লস্কার বাড়ির কবরশালা কাঁচা রাস্তা পর্যন্ত মাটি দ্বারা ভরাট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ টাকা। কর্মসূচির লোক দিয়ে পাঁকা রাস্তা হতে সামান্য কিছু মাটি দিয়ে কাজ শেষ করা হয়েছে । এতিমখানার শিক্ষক ছাত্ররা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ক্ষেত্রপালা বড় বাড়ির মেইন রোড় হইতে দৌলতপুর প্রাইমারী স্কুল পর্যন্ত রাস্তার দুইপাশে তালের চারা রোপনে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা । এ রাস্তার দুপাশে তালের চারার কোন অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যায়নি। ক্ষেতপালা গ্রামের মিঠু মন্ডল জানান এখানে কোন তালের চারা নেই।

দুটি প্রকল্পের সভাপতি ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাফিজুর রহমান জানান, রাস্তায় কাজ হয়েছে ”তালের চারা লাগানোর সময় না আসলে পাওয়া যায়। কতগুলি গাছ লাগানো হয়েছে ও গাছের অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন সব গাছ তো গেছে মরে’’।

পশ্চিমা গ্রামের পরাগের দোকান হইতে মোজাফফার বাড়ি পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা মাটি দ্বারা ভরাট বরাদ্দ ১ লাখ টাকা।
এ রাস্তার পাশ্বে মুদি ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন জানান, কর্মসূচির লোক দিয়ে লবন ছিটানোর মতো কিছু মাটি রাস্তার প্রথম দিকে দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের সভাপতি ২ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য জাহিদ হাসান বলেন, কে বলেছে কর্মসূচির লোক দিয়ে কাজ করিয়েছি। আমার এ প্রকল্পে শতভাগ কাজ হয়েছে।

নারিকেলবাড়ীয়া বাজারের সর্বজনীন কালী মন্দির সংস্কার বরাদ্দ ১ লাখ টাকা। এখানে সংস্কারের কোন কিছু দেখা যায়নি। প্রকল্পের সভাপতি দেব কুমার বিশ্বাস জানান, টাকা হাতে পেয়েছি অনেক টাকা মন্দিরের নির্মানে ব্যায় হবে। তাই একবারে কাজ শুরু করা হবে ।

ক্ষেত্রপালা আনিচুরের বাড়ী হইতে সাধন রায়ের বাড়ী পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা মাটি দ্বারা সংস্কার ২লাখ ২০ হাজার ৬৮ টাকা বরাদ্ধ রাখা হয়েছে। এ রাস্তায় দুই বছর আগে মাটি দেওয়া হয়েছিলো । সম্প্রতি কোন মাটি দেওয়া হয়নি। এমন তথ্য জানালেন স্থানীয় সাধন রায়।
প্রকল্পের সভাপতি ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শামছুর রহমান জানান, আমি প্রকল্পের সভাপতি ছিলাম নামে মাত্র স্বাক্ষর করে দিয়েছি , সব টাকা চেয়ারম্যান তুলে নিয়েছে।

নারিকেলবাড়ীয়া নজির মন্ডলের বাড়ির পাশের রাস্তা হইতে কেরামত সদার্রের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা মাটি দ্বারা সংস্কার বরাদ্দ ৩.০৯০ মে.টন চাউল। সরকারি দর হিসাবে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫২ টাকা।
এএলাকার আব্দুর রাজ্জাকসহ অনেকে জানিয়েছে কর্মসূচির লোক দিয়ে নামে মাত্র কিছু মাটি দেওয়া হয়েছে।
প্রল্পের সভাপতি ২ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সোহরাব মন্ডল জানান, বেশি কাজ হয়নি । ”ওই সব মিলিয়ে ৬০ ভাগ কাজ হয়েছে।

অন্তারামপুর গ্রামের আজিবারের বাড়ির কাঁচা রাস্তা হইতে মসলেমের বাড়ির কাচঁা রাস্তা মাটি দ্বারা সংস্কার বরাদ্দ ৩.০৯০ মে টন গম । সরকারি দর হিসাবে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৬শ ৮৮ টাকা। স্থানীয়রা জানান, এখানে কর্মসূচির লোকজন দিয়ে সামান্য কিছু মাটি দেওয়া হয়েছে।
প্রকল্পের সভাপতি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য খালেদা সুলতানা জানান, তখন আমি অসুস্থ ছিলাম। শুনেছি মাটি কাটার কথা। পিআইও অফিসে সই করতে গেলে শুনি, আমাকে প্রকল্পের সভাপতি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতার্ (পিআইও) ফিরোজ আহম্মেদ সাংবাদিকদের জানান,প্রকল্পের সভাপতিরা কাজ করে ছবি জমা দিয়ে বিল উত্তোলন করেছে।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, ”আমার জানামতে কাজ হয়েছে, কাজ না করে থাকলে কাজ করে দিতে হবে’’।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar