কক্সবাজারের উখিয়ায় একটি রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মির (আরসা) সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে আব্দুল মজিদ ওরফে লালাইয়া নামে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন, যাকে ‘আরসা কমান্ডার’ বলছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ ঘটনায় পুলিশের ৩ সদস্যও আহত হয়েছেন।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
মঙ্গলবার (১১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১৯ এর ৮ নম্বর ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তিনজকে আটক করা হয়েছে।
এপিবিএন-৮ এর সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে ক্যাম্প-১৯ এর ৮ নম্বর ব্লকের আমিন মাঝির বাসার পাশে আরসা সন্ত্রাসীদের অবস্থানের খবর পেয়ে আশপাশের কয়েকটি ঘর ঘিরে ফেলে এপিবিএন। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে আরসা সদস্যরা। এ সময় এপিবিএনও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির পর কয়েকটি ঘরে তল্লাশি করে আরসা কমান্ডার আব্দুল মজিদ ওরফে লালাইয়ার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। মরদেহের বাম হাতের পাশে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়।
নিহত আব্দুল মজিদ ওরফে লালাইয়া (৩৫) উখিয়ার তানজিমারখোলা ১৩ নম্বর আশ্রয় শিবিরের ই-৩ ব্লকের বাসিন্দা নুরুল আমিনের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে বলে এপিবিএন জানিয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:- উখিয়ার ঘোনারপাড়া ১৯ নম্বর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরের এ-১৭ ব্লকের মৃত ছৈয়দ হোসেনের ছেলে জামাল হোসেন (২০), একই ক্যাম্পের এ-৮ ব্লকের কাশেম আলীর ছেলে মোহাম্মদ তাহের (৪৫) ও মোহাম্মদ সলিমুল্লাহর ছেলে লিয়াকত আলী (২৫)। তাদের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ ও ডাকাতিসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে জানিয়েছে পুলিশ। ঢাকাপোস্ট,বিডিনিউজ২৪