1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
৩৫ বছরের মমতায় গড়া ভুটান সরকারের পাখিবাড়ি - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টাকার অভাবে ভর্তি অনিশ্চিত মেধাবী বিথীর পাশে ছাত্রদল নেতা পাবনার ফরিদপুরে দেশীয় অস্ত্র ও ১৫ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার বাঘাইছড়িতে ২ পিস্তল, গুলি ও বিপুল ভারতীয় সিগারেট উদ্ধার শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্তব্য, জাবি ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ চুনা ম্যানগ্রোভকে (ওইসিএম) হিসেবে স্বীকৃতির উদ্যোগে স্থানীয় জনগণের সম্মতি যশোরে ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রি: ইত্যাদি স্টোরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা শিক্ষকরাই পারেন আলোকিত মানুষ গড়তে: এ্যাডভোকেট এ.কে.এম সেলিম রেজা এমপি রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পেলেন এসআই অসিত কুমার বসাক সরকারি দেবেন্দ্র কলেজে দিনব্যাপী প্রাথমিক চিকিৎসা কর্মশালা অনুষ্ঠিত বাজেট সংকটে ৪ বছরেও শুরু হয়নি জবির প্রধান ফটক সংস্কার কাজ

৩৫ বছরের মমতায় গড়া ভুটান সরকারের পাখিবাড়ি

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৯৫ জন খবরটি পড়েছেন

বগুড়া প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বগুড়ার ধুনট উপজেলার মাধবডাঙ্গা গ্রামের চার একরজুড়ে বিস্তৃত রবিউল হাসান ওরফে ভুটান সরকারের বাড়িটি এখন পরিচিত “পাখিবাড়ি” নামে। প্রতিদিন এখানে ভোর শুরু হয় পাখির কিচিরমিচির আর পালকের ফড়ফড়ে শব্দে, যা আকর্ষণ করে স্থানীয় ও দূরদূরান্তের প্রকৃতিপ্রেমীদের।

৩৫ বছর আগে প্রথম একঝাঁক পাখি এসে বসেছিল ভুটান সরকারের বাড়ির তেঁতুলগাছে। সেই থেকেই শুরু হয় তাদের স্থায়ী বসবাস। প্রতি বছর গ্রীষ্মে পাখিরা আসে, বাসা বাঁধে, ছানা ফোটায় এবং শীত এলে দলবেঁধে চলে যায়।

পাখিবাড়ির সামনে দুটি বড় পুকুর, চারপাশে মেহগনি, কড়ই, জাম, আম, কাঁঠাল ও বাঁশঝাড়ে ঘেরা সবুজ পরিবেশ। এখানে পানকৌড়ি, বক, ঘুঘু, শালিক, টিয়া, চড়ুইসহ নানা প্রজাতির পাখি প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওড়ে বেড়ায়। আশ্চর্যের বিষয়, পুকুরে মাছ চাষ হলেও কোনো পাখি সেখানে মাছ ধরে না।

ভুটান সরকার বলেন, “প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের এক নীরব চুক্তি আছে—ওরা এখানে নিরাপদ, আমরাও ওদের সঙ্গে শান্তিতে আছি।”

স্থানীয়রা জানান, পাখিবাড়ি এখন শুধুই এক পরিবারের বসতভিটা নয়, বরং পরিবেশ সচেতনতার প্রতীক। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কবি ও আলোকচিত্রীরা প্রতিনিয়ত এখানে আসেন প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটাতে।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুর করিম আপেল বলেন, “এটি ধুনট উপজেলার সবচেয়ে সুন্দর জায়গা। সরকারিভাবে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হলে পরিবেশ সংরক্ষণ আরও জোরদার হবে।”

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তীর’-এর সভাপতি আশামনি বলেন, “পাখি বাঁচলে প্রকৃতি বাঁচবে, আর প্রকৃতি বাঁচলেই মানুষ টিকবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar