মো: আরিফুল ইসলাম,
পাবনা জেলা প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
এ’বছরের আন্তর্জাতিক শান্তি দিবসের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: “শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিনিয়োগ: সবার জন্য, সর্বত্র, প্রতিদিন।” সাধারণত বিশ্বজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ উঠলেই যুদ্ধ থামানো ও সশস্ত্র সংঘাত বন্ধের বিষয়টিই সর্বাগ্রে চলে আসে। কিন্তু এই আলোচনার অন্তরালে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক উপেক্ষিত থেকে যায়, প্রকৃতির সাথে সদভাব বজায় রাখা ও পরিবেশগত শান্তি প্রতিষ্ঠা।
বর্তমানে নদী দূষণের ফলে তীব্র সুপেয় পানির সংকট তৈরি হচ্ছে, নির্বিচারে বন উজাড়ের কারণে মানুষ ও বন্যপ্রাণী উভয়েই মারাত্মক অস্তিত্ব সংকটে পড়ছে এবং বিষাক্ত বাতাস নিত্যদিন বৃদ্ধি করছে গুরুতর স্বাস্থ্য ঝুঁকি। জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত এই সংকটগুলো বর্তমান বিশ্বের সার্বজনীন ও টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে অন্যতম প্রধান অন্তরায় হিসেবে দেখা দিয়েছে।
পরিবেশ ও প্রকৃতি ভালো থাকলেই সার্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়ে ওঠে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য ভালো থাকলে মানুষের জীবনযাত্রা উন্নত ও সুরক্ষিত হয়। আর মানুষ যখন শান্তিতে ও নিরাপদে বসবাস করতে পারে, তখনই সমাজে তথা বিশ্বে প্রকৃত শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
আসুন, শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা যেন নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল আচরণ করি। প্রকৃতিকে রক্ষা ও পরিবেশবান্ধব জীবনধারা গ্রহণ করাই হতে পারে শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রতিটি নাগরিকের সবচেয়ে কার্যকর ও সেরা বিনিয়োগ।