1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
শীত আসছে, নেই খেজুরের রস; ইট ভাটার ধোঁয়ায় বিপন্ন গ্রামীণ ঐতিহ্য - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দৌলতপুরে বড় ভাইয়ের দা এর কোপে  ছোট ভাই নিহত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাজধানীর সব সড়কজুড়ে মিছিল, জনসমুদ্র নয়াপল্টন ৭ নভেম্বর: যেভাবে বন্দীদশা থেকে ক্ষমতার কেন্দ্রে এলেন জিয়াউর রহমান অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্রে সিসার ঝুঁকি: মান নিয়ন্ত্রণে নেই কার্যকর ব্যবস্থা কেনিয়ায় ১৯১ জনকে অনাহারে মৃত্যুর ঘটনায় ধর্মগুরুর ২০০ বছরের কারাদণ্ড সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কক্সবাজারের ৭ বাংলাদেশি নিহত বাঘারপাড়ায় বিএনপির আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত নাসিরনগরের বাঘি গ্রামের ডোবা থেকে অর্ধগলিত অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক নবীনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জামালপুরে ট্রাকের ধাক্কায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪

শীত আসছে, নেই খেজুরের রস; ইট ভাটার ধোঁয়ায় বিপন্ন গ্রামীণ ঐতিহ্য

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

শীতের আগমনী বার্তা প্রকৃতিতে। অথচ লোহাগাড়ার গ্রামীণ জনপদে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে শীতের অন্যতম ঐতিহ্য খেজুরের রস সংগ্রহের দৃশ্য। একসময় শীতের শুরুতে খেজুরগাছ প্রস্তুত করতে গাছিদের ব্যস্ততা চোখে পড়লেও এখন খেজুরগাছ ও গাছি—দুটিরই দেখা মেলা ভার। শুধু খেজুরগাছ নয়, তাল, কাঁঠাল, বরইসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছও ক্রমেই কমে যাচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, লোহাগাড়ায় গড়ে ওঠা ৪২টি ইটভাটার ধোঁয়া ও ধুলাবালির কারণে পরিবেশের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে গ্রামীণ বৃক্ষসম্পদ। একসময় খেজুরের রস দিয়ে তৈরি পিঠা ছিল শীতের অন্যতম আকর্ষণ। বিয়ের পর বেয়াইবাড়িতে শীতের পিঠার সঙ্গে খেজুরের রস পাঠানোর প্রচলনও ছিল। প্রায় ৩০ বছর আগেও সুগন্ধি খেজুরের রসে ভাপা পিঠা ডুবিয়ে খাওয়ার স্মৃতি এখনো অনেকের মনে অমলিন।

সরকারি বিধিবিধান থাকলেও কিছু ইটভাটার মালিক তা মানছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। পরিবেশ আইন অনুযায়ী গত দুই বছরে ছয়টি অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও স্থানীয়দের দাবি, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে আরও কয়েকটি ইটভাটা এখনো সচল রয়েছে। এতে পরিবেশদূষণের পাশাপাশি গ্রামীণ বৃক্ষসম্পদ ও ঐতিহ্য হুমকির মুখে পড়ছে।
উপজেলা ভূমি প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, লোহাগাড়ায় মোট ৪৪টি ইটভাটার মধ্যে দুটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। বাকি ৪২টি চালু ইটভাটার মধ্যে মাত্র একটির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। অন্যগুলোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, সবচেয়ে বেশি ইটভাটা রয়েছে চরম্বা ইউনিয়নে। সেখানে ২২টি ইটভাটা রয়েছে বলে জানা গেছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় কার্যক্রম চালু থাকতে দেখা গেছে। তবে ভাটাগুলোর বৈধ কাগজপত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে দায়িত্বে থাকা ব্যবস্থাপকেরা জানান, এ বিষয়ে মালিকপক্ষ ভালো বলতে পারবেন। মালিকপক্ষ উচ্চ আদালতে রিট করবেন বলেও তাঁরা জানান।
এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র ছাড়া ইটভাটাগুলো কীভাবে কার্যক্রম চালাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এসব ভাটার অনুমোদন, পরিবেশগত ছাড়পত্র এবং প্রচলিত আইন মেনে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাঁদের আশঙ্কা, ইটভাটা থেকে নির্গত ধোঁয়া ও ধুলাবালি বায়ুদূষণের পাশাপাশি জনস্বাস্থ্য ও কৃষিজমির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে চরম্বা ইউনিয়নে ২২টি ইটভাটা থাকায় এ অঞ্চলের পরিবেশগত ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা কবির আহমদ বলেন, বিবিবিলা গ্রামে তিনটি ইটভাটা রয়েছে, যা গ্রামবাসীর জন্য দুঃখের বিষয়। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ ইতোমধ্যে নানা রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। শুধু অভিযানের ঘোষণা নয়, ইটভাটাগুলোর কাগজপত্র যাচাই, নিয়মিত তদারকি এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উপজেলায় অধিকাংশ ইটভাটার বৈধ কাগজপত্র না থাকার তথ্য সামনে আসায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কোন ইটভাটার কী ধরনের অনুমোদন বা ছাড়পত্র নেই, তা সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতনমহলের দাবি, লোহাগাড়ায় চালু ৪২টি ইটভাটার মধ্যে মাত্র একটির বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রচলিত আইন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অবৈধভাবে পরিচালিত ইটভাটার বিরুদ্ধে শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হোক।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar