মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
লোহাগাড়ায় বনের জমি দখল করে পাকা ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম নারিশ্চা জাদির পাহাড়সংলগ্ন ইছহাক মিয়া সড়কের পাশে পাশাপাশি দুটি পাকা ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, পদুয়া রেঞ্জের ডলু বনবিটের আওতাধীন জমি দখল করে নুর আলম ও জানে আলম এ নির্মাণকাজ চালাচ্ছেন।
অভিযোগ উঠেছে, দখলদাররা প্রথমে অস্থায়ী বসতি গড়ে তুলে পরে কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে ধীরে ধীরে তা পাকা স্থাপনায় রূপ দিচ্ছেন এবং বিদ্যুৎ-পানিসহ বিভিন্ন সুবিধা সংযোগ করছেন।
পরিবেশবিদরা বলছেন, এ ধরনের দখল শুধু গাছপালা ধ্বংসই নয়, বরং জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এতে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল সংকুচিত হয় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়ে।
তবে পদুয়া রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা বজলুর রশিদ জানান, পরিদর্শনে গিয়ে তারা দেখেছেন, পাকা ঘর নির্মাণের স্থানটি বন বিভাগের নয়, বরং খাস খতিয়ানের জমি। বন বিভাগকে ‘ম্যানেজ’ করার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।
এদিকে সচেতন মহল বলছে, বনভূমি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে ভয়াবহ পরিবেশগত বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে। দখলদারদের উচ্ছেদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।