1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
টেকনাফ উপকূলে ৩১৪ কাছিমের বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান সাজেকে ইউপিডিএফ-জেএসএস সংঘাতে ৭ বছরের শিশু গুলিবিদ্ধ

টেকনাফ উপকূলে ৩১৪ কাছিমের বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৪০ জন খবরটি পড়েছেন

কক্সবাজার প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলে ৩১৪টি সামুদ্রিক কাছিমের বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে। শনিবার ও রোববার সকালে পর্যায়ক্রমে এসব বাচ্চা কাছিম সমুদ্রে ছাড়া হয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

কোডেক সংস্থার টেকনাফ-উখিয়া অঞ্চলের রিসার্চ ফ্যাসিলিটেটর কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী জানান, ‘কমিউনিটি লেড টার্টল কনজারভেশন’ প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। উপকূলের মাদারবুনিয়া ও ছেফটখালী হ্যাচারি থেকে বাচ্চাগুলো সংগ্রহ করে সাগরে অবমুক্ত করা হয়।

তিনি বলেন, স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে পরিচালিত এই উদ্যোগ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। প্রকল্পের আওতায় মা কাছিমের ডিম সংগ্রহ করে নিরাপদ পরিবেশে সংরক্ষণ করা হয় এবং নির্দিষ্ট সময় পর সেখান থেকে বাচ্চা ফুটিয়ে সাগরে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মোট ১৫ হাজার ৩০৮টি কাছিমের ডিম সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে সফলভাবে ৪ হাজার ৪৬৯টি বাচ্চা সাগরে অবমুক্ত করা হয়েছে।

শামলাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এমএ মঞ্জুর বলেন, সামুদ্রিক কাছিম একটি বিপন্ন প্রজাতি এবং এদের সংরক্ষণে এ ধরনের উদ্যোগ উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ এবং স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সামুদ্রিক কাছিমের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য আরও সমৃদ্ধ হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar