1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
এডিসি কলোনীতে ময়লা-আবর্জনার স্তুপে জনদুর্ভোগ: চরম ভোগান্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান সাজেকে ইউপিডিএফ-জেএসএস সংঘাতে ৭ বছরের শিশু গুলিবিদ্ধ

এডিসি কলোনীতে ময়লা-আবর্জনার স্তুপে জনদুর্ভোগ: চরম ভোগান্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীরা

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৪ জন খবরটি পড়েছেন

​মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙ্গামাটি জেলা প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

খাতা-কলম আর সাদা পোশাকে সাজানো শৈশব যেখানে আনন্দময় হওয়ার কথা, সেখানে এক দুঃসহ নরকযন্ত্রণা সঙ্গী করে প্রতিদিন মাদ্রাসায় যাচ্ছে রাঙ্গামাটির এডিসি কলোনী এলাকার কোমলমতি শিশুরা। উন্নয়নের নামে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের (পাবলিক হেলথ) ফেলে রাখা গর্ত আর পাহাড়সম আবর্জনার স্তুপে এখন এলাকাটি যেন এক পরিত্যক্ত ভাগাড়। দুর্গন্ধের চাদরে ঢাকা পড়েছে নূরানী তালীমুল কোরআন মাদ্রাসা ও হেফজখানার শিক্ষার পরিবেশ।

রাঙ্গামাটি শহরের এডিসি কলোনী এলাকায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের পানির লাইন সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছিল ধুমধাম করে। কিন্তু কাজ শেষে রাস্তার বুক চিরে রাখা ক্ষতগুলো আর সারিয়ে তোলা হয়নি। রাস্তার মাঝখানে বিশালাকার গর্তগুলো এখন ড্রেনের উপচে পড়া ময়লা পানির স্থায়ী জলাধারে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্ট বিভাগ চলে গেলেও রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী করার ন্যূনতম দায়বোধ দেখায়নি তারা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এক করুণ চিত্র। নূরানী তালীমুল কোরআন মাদ্রাসা ও হেফজখানার প্রধান ফটকের ঠিক পাশেই দীর্ঘদিনের জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তুপ। সেখানে একটি জংধরা নীল রঙের ডাস্টবিন হেলে পড়ে আছে, যার চারপাশে প্লাস্টিক বর্জ্য, পচা কাপড় আর গৃহস্থালি বর্জ্যের পাহাড়। এই ময়লার স্তুপ থেকে ছড়িয়ে পড়া তীব্র কটু গন্ধে এলাকাটি এখন বসবাসের অযোগ্য।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য দেখা যায় যখন ছোট ছোট শিশুরা মাদ্রাসায় যাতায়াত করে। ছবিতে দেখা গেছে, পবিত্র কোরআন শিক্ষার নেশায় শিশুরা যখন মাদ্রাসায় আসে, তখন তাদের সাদা পোশাক আর টুপিকে বাঁচাতে হয় রাস্তার নোংরা ও পচা পানির হাত থেকে। রাস্তার গর্তে জমে থাকা লালচে কাদা ও ড্রেনের দূষিত পানি মাড়িয়েই তাদের ক্লাসে ঢুকতে হচ্ছে। অনেক শিশু দেয়াল ঘেঁষে অতি কষ্টে পার হওয়ার চেষ্টা করলেও সামান্য অসাবধানতায় পা পিছলে পড়ে নষ্ট হচ্ছে তাদের বই-খাতা ও পোশাক।​ এক অভিভাবকের আর্তনাদ আমরা বাচ্চাদের মাদ্রাসায় পাঠাই মানুষ করার জন্য, কিন্তু তারা প্রতিদিন নোংরা পানি আর রোগের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফেরে। এই পচা পানির দুর্গন্ধে সুস্থ মানুষই দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না, সেখানে আমাদের বাচ্চারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা পড়াশোনা করছে। আমরা কি তবে কোনো সভ্য সমাজে নেই।​বর্তমানেই এলাকার যে শোচনীয় অবস্থা, তাতে আসন্ন বর্ষা মৌসুম নিয়ে এলাকাবাসীর কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। বৃষ্টির পানি আর ড্রেনের বর্জ্য মিশে তখন পুরো এলাকা এক বিশাল জলাভূমিতে পরিণত হবে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, এখনই ব্যবস্থা না নিলে বর্ষায় মাদ্রাসাটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। একই সাথে এলাকা জুড়ে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া ও চর্মরোগের প্রকোপ মহামারী আকার ধারণ করতে পারে।

এলাকাবাসী, মাদ্রাসার শিক্ষক ও অভিভাবকদের দাবি কেবল একটি রাস্তা সংস্কার নয়, বরং একটি সুন্দর ও সুস্থ পরিবেশের। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন।​অনতিবিলম্বে রাস্তার মাঝখানের গর্তগুলো ভরাট করে কার্পেটিং করতে হবে।
​মাদ্রাসার সম্মুখভাগ থেকে ময়লার স্তুপ সরিয়ে এলাকাটি জীবাণুমুক্ত করতে হবে।
​স্থায়ী ও আধুনিক পানি নিষ্কাশন (ড্রেনেজ) ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটাতে হবে।​পাবলিক হেলথ বিভাগের অবহেলা আর প্রশাসনের নীরবতা কতদিন এভাবে শিশুদের শিক্ষাজীবনকে জিম্মি করে রাখবে এমনটাই এখন বড় প্রশ্ন এডিসি কলোনীবাসীর মনে। কোমলমতি শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যতের স্বার্থে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar