1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
স্ত্রী হত্যার দায়ে ১২ বছর জেল, অবশেষে জীবিত উদ্ধার সেই স্ত্রী - bdtelegraph24.com
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ মহিপুরে ১ কেজি ৯০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৬ হাজার ৬৫০ টাকায় ভারত ও নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: নিহত ৭০ বাংলার জমিনে কাউকে সন্ত্রাস করতে দেয়া যাবেনা- স্বাস্থ্যমন্ত্রী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করেনি সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাবনায় ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা ভারতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ২৭৫ কিমি দূরে নিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ প্রণালিতে ১৯ জাহাজে ইরানের হামলা, মার্কিন ডুবোযান আটক অভয়নগরে সন্তানসহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মেলেনি ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

স্ত্রী হত্যার দায়ে ১২ বছর জেল, অবশেষে জীবিত উদ্ধার সেই স্ত্রী

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৭ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর), রাত ৯টা ২৯ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ভারতের বিহারের রোহতাস জেলায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগে ১২ বছর কারাভোগের পর জীবিত উদ্ধার হয়েছেন এক নারী। ২০১৪ সালে নিখোঁজ হওয়া শকুন্তলা দেবীকে ঝাড়খণ্ডের গড়ওয়া জেলা থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় ওই নারীর স্বামী ও পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ সময় জেল খাটলেও এখন পুরো ঘটনাটি নতুন মোড় নিয়েছে।

২০১৪ সালে রোহতাস জেলায় শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন শকুন্তলা দেবী। নিখোঁজের পর তাঁর ভাই যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেন। ঘটনার দুদিন পর একটি খাল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শকুন্তলার ভাই ও স্থানীয় এক কর্মকর্তা মরদেহটি শকুন্তলার বলে শনাক্ত করলে পুলিশ হত্যার মামলা দায়ের করে।

এই মামলায় পুলিশ শকুন্তলার স্বামী অরুণ মেহতা, শ্বশুর দিলীপ ও দেবর গোবিন্দ কুমারকে গ্রেপ্তার করে। অরুণ মেহতা জামিন পাওয়ার আগে দীর্ঘ সময় কারাগারে কাটান। মেহতা পরিবারের দাবি, শকুন্তলার পরিবার আট লাখ রুপি দাবি করলে পৈতৃক জমি বিক্রি করে আর্থিক সমঝোতার মাধ্যমে মামলাটির নিষ্পত্তি করা হয়েছিল।

সম্প্রতি শকুন্তলার শ্বশুর খবর পান যে তাঁকে প্রতিবেশী রাজ্য ঝাড়খণ্ডে দেখা গেছে। পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে তাঁকে চিনতে পেরে রোহতাস পুলিশকে জানান। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঝাড়খণ্ডের গড়ওয়া জেলার লাভারি গ্রাম থেকে তাঁকে উদ্ধার করে। তদন্তে দেখা যায়, তিনি ‘কান্তি দেবী’ নাম ধারণ করে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে বসবাস করছিলেন।

বর্তমানে পুলিশ শকুন্তলা দেবীকে রোহতাসে ফিরিয়ে এনে সাসারামের আদালতে হাজির করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রসহ বিভিন্ন অভিযোগে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ২০১৪ সালে খাল থেকে উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাত নারীর প্রকৃত পরিচয় এবং শকুন্তলার ভাইয়ের ভুল শনাক্তকরণের কারণ উদঘাটনে নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে রোহতাস জেলা পুলিশ।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar