নিউজ ডেস্ক
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর), ২০২৬ | সকাল ১০টা
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
পাকিস্তানের এক লাখ মুজাহিদিন ও ২০ হাজার আরব স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিস্ফোরক দাবি করেছেন দেশটির প্রাক্তন মন্ত্রী ও সিনিয়র নেতা মুশাহিদ হুসেন সইদ। ‘খানকাস্ট’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে তিনি জানান, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের তালিকায় ওসামা বিন লাদেন ও আয়মন জওয়াহিরির মতো কুখ্যাত জঙ্গিরাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মুশাহিদ হুসেন সইদ দাবি করেন, আফগান জেহাদের সময় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ইন্টার-সার্ভিসেস ইন্টেলিজেন্সের (আইএসআই) তত্ত্বাবধানে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যুদ্ধ শেষে প্রশিক্ষিত যোদ্ধাদের একটি বড় অংশ কাশ্মীর, ফিলিস্তিন ও আলজেরিয়াসহ বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
প্রশিক্ষণের অর্থের উৎস সম্পর্কে তিনি বলেন, তৎকালীন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং সৌদি আরব এই কর্মসূচিতে বিপুল পরিমাণ অর্থায়ন করেছিল। হুসেনের ভাষ্যমতে, সিআইএ এবং সৌদি আরব প্রত্যেকে ২.১ বিলিয়ন ডলার করে মোট ৪.২ বিলিয়ন ডলার এই খাতে প্রদান করে।
মুশাহিদ হুসেন সইদ বলেন, আফগান জেহাদ শেষ হওয়ার পর প্রশিক্ষিত যোদ্ধারা ‘কর্মহীন জিহাদি’ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে চলে যায়। এই যোদ্ধাদের মধ্যেই ছিল আল-কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেন, যে পরবর্তীতে আমেরিকার বুকে ৯/১১-এর মতো ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা চালায়।
১৯৭৯ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন চলাকালীন সময়ে এই আফগান জেহাদ সংঘটিত হয়। সেই সময় থেকেই এই সংঘাতের নেপথ্যে আমেরিকা, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সংশ্লিষ্টতার গুঞ্জন ছিল। প্রাক্তন মন্ত্রী হুসেনের এই নতুন বক্তব্য সেই সময়ের বিতর্কিত অধ্যায়কে পুনরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। সূত্র-হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা