নজরুল ইসলাম, স্টাফ রিপোর্টার
রবিবার (২৫ অক্টোবর), দুপুর ২টা ৩২ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা আট দিন বন্ধ থাকার পর যশোরের বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় পুরোদমে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে দুই দেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় বন্দরে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
বেনাপোল কাস্টম হাউসের কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা রোমেন মিত্র জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে ১৭ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত এ পথে নিয়মিত আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে ১৮ ও ১৯ অক্টোবর বেনাপোল বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানো, খালাস ও শুল্কায়নের কাজ স্বাভাবিক ছিল। পণ্য খালাস শেষে ভারতীয় ট্রাকগুলো নিজ দেশে ফিরে যায়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নির্দেশনায় সীমিত আকারে কার্যক্রম চালু রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুই দেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হলেও সার্ভার সমস্যার কারণে কার্যক্রম ব্যাহত হয়। ওই দিন ভারত থেকে ৬২ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ৩৬ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয়।
বেনাপোল কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বলেন, “রবিবার সকাল থেকে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টম হাউসের কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে। দীর্ঘ ছুটির কারণে সীমান্তের দুই পাশে পণ্যবাহী ট্রাকের জট সৃষ্টি হয়েছিল। বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সেই জট কমতে শুরু করেছে।”
তিনি আরও জানান, বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজে প্রায় দুই হাজার হ্যান্ডলিং শ্রমিক যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি ব্যবসায়ী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এবং বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) রুহুল আমিন বলেন, “শনিবার আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হলেও সার্ভার সমস্যার কারণে তা স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। তবে রবিবার থেকে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের সব কার্যক্রম পুরোদমে শুরু হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, ছুটি শেষে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত আমদানি করা পণ্য খালাস নিতে পারেন, সে জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।