1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
আগুন নেভাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে রোজা ছেড়েছেন ফায়ার সদস্যরা - bdtelegraph24.com
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ার ৯ ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী যাচাই-বাছাই কমিটির মতবিনিময় নেত্রকোণায় আবাসিক বাসায় ভারতীয় চোরাই পণ্যের গুদাম, চক্রের হোতা আটক দেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিল: ডিএসসিসি প্রশাসক কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা

আগুন নেভাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে রোজা ছেড়েছেন ফায়ার সদস্যরা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৩
  • ২৮২ জন খবরটি পড়েছেন

ভোরে সেহরি খেয়ে ঘুমিয়েছিলেন সবাই। সকাল হতে না হতেই ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সবগুলো ইউনিটে জরুরি সাইরেন বেজে ওঠে। সাইরেন শুনে ঘুমিয়ে থাকা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মুহূর্তেই ইউনিফর্ম পরে গাড়িতে উঠে বসেন।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

এরপর রাজধানীর বঙ্গবাজারে লাগা ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রাণপণে কাজ শুরু করেন। তবে ভোরের অন্ধকার কাটিয়ে সূর্যের দেখা মিললেও ৫ ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি ভয়াবহ আগুন।
সবশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিট। টানা পাঁচ ঘণ্টা আগুনে কাজ করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন বেশিরভাগ সদস্য। অনেকে রোজা রাখলেও আগুন নিয়ন্ত্রণে এসে পানি পিপাসায় কেউ কেউ রোজা ভাঙতে বাধ্য হন।

ফায়ার সার্ভিস কর্মী নাজমুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘সেহরি খাওয়া শেষে ঘুমিয়েছিলাম। ৬ টার পর হঠাৎ জরুরি বেলের শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। পরে দ্রুত গাড়িতে উঠে চলে আসি বঙ্গবাজারে। প্রায় টানা পাঁচ ঘণ্টা কাজ করে অনেকটা ক্লান্ত। আগুন লাগা ভবনে প্রচুর তাপ থাকায় গলা শুকিয়ে যায়। বাইরে এসে পানি খেয়ে রোজা ভাঙতে বাধ্য হয়েছি।’

আব্দুল কাদির নামের আরেক সদস্য বলেন, ‘রোজা রেখে এমন আগুনে কাজ করা খুবই কষ্টসাধ্য। বাধ্য হয়ে রোজা ভাঙতে হয়েছে।’ জাগো ডটকম

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar