1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মাদ্রাসার টয়লেটে প্রাণ গেল শিক্ষকের - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে কলোনিতে অগ্নিকাণ্ড: ৮ কক্ষের মালামাল পুড়ে ছাই কুষ্টিয়ায় লালন মাজার এলাকায় হামলার শিকার নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভূমিহীনদের চাকরি না দেওয়ার বিধান কোথায়, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর চাকরিপ্রার্থীর ভেরিফিকেশনে বাধা: জমিহীন তরুণকে জমি দিলেন হিন্দু প্রতিবেশী ডিমের কুসুম খেলে কি হার্টের ঝুঁকি বাড়ে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ পাকিস্তানি নারী এজেন্টের সঙ্গে তথ্য পাচার: ভারতীয় নৌবাহিনীর নাবিক গ্রেপ্তার ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল ২৫২ টাকা যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণকাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে ৩ মাসের বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা ঢাকা জেলায় সাব-রেজিস্ট্রার বদলি হবে লটারির মাধ্যমে

মাদ্রাসার টয়লেটে প্রাণ গেল শিক্ষকের

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪
  • ২২৭ জন খবরটি পড়েছেন
ছবি-সংগৃহীত

নেত্রকোণার মদন উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়নের বালালী বাঘমারা আব্দুর রাজ্জাক দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হাফেজ মো. মনজুরুল হক দীর্ঘদিন যাবৎ অসুস্থতায় ভুগছিলেন। অসুস্থতার কারণে সুপারের কাছে ছুটি চেয়েও ছুটি পাননি তিনি। অবশেষে কর্মরত অবস্থায় মাদ্রাসার টয়লেটে প্রাণ গেল শিক্ষক মনজুরুলের।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কেন্দুয়া উপজেলার বালিজুড়া গ্রামের মৃত তাহের আলী ছেলে মো. মনজুরুল হক। প্রতিদিনের মতো বুধবার মাদ্রাসায় আসেন তিনি। কিন্তু দুপুরের দিকে তিনি তীব্র শারীরিক অসুস্থ অনুভব করেন। এমতাবস্থায় টয়লেটে যান তিনি।

এদিকে, তার ছোট ছেলে জুনায়েদ (০৭) দুপুর ১টার দিকে তার বাবাকে খুঁজে মাদ্রাসায় আসলে সুপার তাকে জানায় তার বাবা টয়লেটে গেছেন। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর জুনায়দে টয়লেটে গিয়ে দেখে তার বাবা অচেতন অবস্থায় পড়ে আছেন। তার চিৎকার শুনে সুপার বজলুর রহমান গিয়ে সহকারী শিক্ষক হাফেজ মো. মনজুরুল হককে অচেতন অবস্থায় শ্রেণি কক্ষে নিয়ে আসেন। পরে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয় মৃতের স্ত্রী জানান, আমার স্বামী কয়েকদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলো। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চিকিৎসার জন্য বারবার ছুটি চাইলেও আমার স্বামীকে সুপার ছুটি দেয়নি।

জানতে চাইলে মাদ্রাসা সুপার মো. বজলুর রহমান জানান, সহকারী শিক্ষক হাফেজ মো. মনজুরুল হক আমার কাছে ছুটির জন্য কোনো লিখিত আবেদন করেননি।

সভাপতি মো. আরজু মিয়া জানান, মৃত সহকারী শিক্ষক চিকিৎসার জন্য ছুটি চেয়েও যে ছুটি পায়নি এ বিষয়টি তার স্ত্রী আজ আমাকে অবগত করেছেন। চিকিৎসার সুযোগ না পেয়ে একজন শিক্ষক মারা গেলো তা খুবই দুঃখজনক।

জানতে চাইলে কেন্দুয়া থানার ওসি (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম খান জানান, মৃত হাফেজ মো. মনজুরুল হক চিকিৎসার জন্য সুপারের নিকট ছুটি চেয়েছিলেন, এমন বিষয়ে মৃতের স্ত্রী বা অন্য কেউ এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। ডেইলি ক্যাম্পাস

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar