1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
টিকে থাকার লড়াইয়ে ঐতিহ্যবাহী মণিহার সিনেমা হল - bdtelegraph24.com
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে ভারতীয় কয়েদির মৃত্যু লোহাগাড়ায় শারদীয় দুর্গোৎসবের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন ইউএনও ও ওসি বিয়ের দাওয়াত না দেওয়ায় চাচাতো ভাইকে কুপিয়ে হত্যা নাসিরনগরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি এম এ হান্নান, সম্প্রীতির আহ্বান সাতক্ষীরায় শামীম হত্যা: অনুতপ্ত নন প্রধান আসামি ফজলুল হক আমিনী নোয়াখালীতে দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে গুলি: সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হামলাকারী শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়: নীতিগত অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা শ্যালিকাকে ধর্ষণের মামলা: সাজানো নাটক প্রমাণিত হওয়ায় খালাস পেলেন ডা. রাফসান গাজীপুরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন এসটিএস উদ্বোধন নেত্রকোণায় যুবকের উপর মুখোশধারীদের গুলি, গুরুতর আহত

টিকে থাকার লড়াইয়ে ঐতিহ্যবাহী মণিহার সিনেমা হল

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৩২৭ জন খবরটি পড়েছেন

যশোর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরের ঐতিহ্যবাহী মণিহার সিনেমা হল টিকে থাকার লড়াইয়ে হিমশিম খাচ্ছে। একসময় এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম হিসেবে পরিচিত এই হলটি ছিল সিনেমাপ্রেমীদের প্রধান আকর্ষণ। কিন্তু এখন বছরের বেশিরভাগ সময় দর্শকশূন্য থাকে, শুধু ঈদ মৌসুমেই কিছুটা ভিড় দেখা যায়।

হলটির কর্ণধার জিয়াউল ইসলাম মিঠু জানান, দেশি ছবির সংকট এবং বিদেশি ছবি আমদানির পথ বন্ধ থাকায় মণিহারকে সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পুরনো টলিউড ছবি দিয়েই কোনোভাবে চলমান রাখা হচ্ছে, তবে দর্শকপ্রবাহ নেই বললেই চলে। কোরবানি ঈদের পর থেকে নতুন ঢালিউড ছবি মুক্তি পায়নি, আর যেগুলো এসেছে সেগুলো ‘আর্ট ফিল্ম’, যা সাধারণ দর্শককে টানতে ব্যর্থ হয়েছে।

হলের ব্যয়ভার টানতে সিনেমার আয়ের পাশাপাশি কমপ্লেক্সের দোকান, হোটেল ও কমিউনিটি সেন্টারের আয়ে নির্ভর করতে হচ্ছে মালিককে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ঐতিহ্যবাহী এই হল বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

জিয়াউল ইসলাম আরও বলেন, “আগে প্রতি সপ্তাহে দুটি ছবি আসত, এখন মাসে একটিও পাওয়া যায় না। আমদানি নিষিদ্ধ হওয়ায় বলিউড সিনেমাও চালানো যাচ্ছে না। স্থানীয় প্রযোজনা বাড়ানো না হলে বা আমদানির সুযোগ না দিলে সিনেমা হল টিকে থাকতে পারবে না।”

সম্প্রতি হল মালিকরা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ছবি আমদানির বিষয়ে আলোচনা করলেও এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে মণিহারের মতো ঐতিহাসিক একটি সিনেমা হল বন্ধ হওয়ার শঙ্কা ক্রমেই বাড়ছে।

১৯৮৩ সালের ৮ ডিসেম্বর যাত্রা শুরু করে মণিহার। ১,৪০০ আসন বিশিষ্ট এই হলটি এসএম সুলতানের তত্ত্বাবধানে নির্মাণ-পরবর্তী সাজসজ্জার মাধ্যমে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছিল।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar