জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তরুণদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে রাজধানীতে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (০৩ নভেম্বর) নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের উদ্যোগে ‘জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় তরুণদের ভূমিকা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ইকোবাংলা ইয়ুথ অর্গানাইজেশন, রিসার্চ এন্ড পাবলিকেশন ক্লাব এবং ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিইং বাংলাদেশের সহযোগিতায় আয়োজিত এ সভায় বক্তারা বলেন, বৈশ্বিক জলবায়ু বিপর্যয়ের মূল দায় উন্নত দেশের ওপর, কিন্তু এর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে বাংলাদেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর।
এ অবস্থায় টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে তরুণদের সম্পৃক্ততার বিকল্প নেই বলে মত দেন তারা।উপাচার্য অধ্যাপক ড. (ইঞ্জিঃ) মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে তরুণদের গবেষণা ও উদ্ভাবনে এগিয়ে আসতে হবে। শুধু আলোচনা নয়, বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।”
প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. লে. কর্নেল (অব.) সরদার মাহমুদ হোসেন বলেন, “ব্যক্তিগত পর্যায়ে সচেতনতা জরুরি। প্লাস্টিক ব্যবহার ও পরিবেশ ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড বন্ধ না করলে পরিবর্তন সম্ভব নয়। উন্নত বিশ্ব জলবায়ুর জন্য বেশি দায়ী; তাই তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।”
সভায় জানানো হয়, বৈশ্বিক কার্বন নিঃসরণের অর্ধেকের জন্য দায়ী চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মতো উন্নত অর্থনীতির দেশগুলো। এর ফলে বাংলাদেশসহ ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের নারী, শিশু, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী ও আদিবাসী জনগোষ্ঠী সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবিইং বাংলাদেশের কমিউনিকেশন অফিসার মাহামুদুল হাসান। সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্টের পরিচালক গাউস পিয়ারী।
আলোচনা সভার পাশাপাশি ভেষজ উদ্ভিদ বিষয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা ও টেকসই ব্যবহারের প্রচারে বিজয়ীদের হাতে মেটাল পানির বোতল তুলে দেওয়া হয়।