ঢাকা: আজ ৭ নভেম্বর দেশব্যাপী ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত হচ্ছে। দিনটি ১৯৭৫ সালের সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানকে স্মরণ করে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সেই দিনে সাধারণ সিপাহিদের সমর্থনে জনতা রাজপথে নেমে আসে এবং বন্দি অবস্থার মধ্যে থাকা সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে মুক্ত করে। পাল্টা অভ্যুত্থান ঠেকাতে গিয়ে খালেদ মোশাররফ নিহত হন। এই ঘটনার পর জিয়াউর রহমান ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে আসেন এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এক নতুন দিশা পায়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, এই ঘটনা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে শক্তিশালী করেছিল এবং গণতন্ত্রকে অর্গলমুক্ত করে বহুদলীয় ব্যবস্থার পথ সুগম করেছিল।
এ বছর বিএনপি ৫ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। রাজধানীতে সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে এবং সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ১০টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করা হবে। বিকেল ৩টায় নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হবে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও র্যালি আয়োজন করা হবে।
বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, “৭ নভেম্বরের চেতনায় সব জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।” বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “বহুদলীয় গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া, স্বাধীনতার সুফল নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর করা এখন সময়ের দাবি।”