1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ঢিলেঢালা আয়োজনে পালিত হলো লালমনিরহাট মুক্ত দিবস - bdtelegraph24.com
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, আহত ১ দুর্গাপুরে নির্মম হত্যার শিকার সাংবাদিক আলিফ ফকিরের পরিবারের পাশে ডেপুটি স্পিকার বন্ধুত্বের পুঁজিতে গড়ে উঠল ‘শেষ বিকেলের চায়ের আড্ডা’, স্বপ্ন অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো কালিয়াকৈরে প্রিমিয়াম লীগ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১০, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না ঝিনাইদহে সুপারি পাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত ঝিনাইদহে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার শাহজালাল বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ডায়মন্ডের রিং উদ্ধার, মালিককে হস্তান্তর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী উত্তরা রাজলক্ষ্মীতে পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত

ঢিলেঢালা আয়োজনে পালিত হলো লালমনিরহাট মুক্ত দিবস

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৯৩ জন খবরটি পড়েছেন

জহুরুল হক জনি, লালমনিরহাট ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

‎আজ ৬ ডিসেম্বর।
১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর কবল থেকে মুক্ত হয়েছিল উত্তরের জেলা লালমনিরহাট।

‎মুক্তিযুদ্ধের সময় পুরো বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হলেও, এর মধ্যে ৬ নম্বর সেক্টর ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

একমাত্র এই সেক্টরটির সদর দপ্তরই ছিল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের ভেতরে পাটগ্রামের বুড়িমারী হাসর উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে।

২৫ মার্চের কালোরাতের পর সারাদেশের মতো উত্তাল হয়ে ওঠে লালমনিরহাট। অবাঙ্গালী বিহারিদের আধিপত্য থাকা রেলওয়ে শহরটিতে দ্রুত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পরের দিন ২৭ মার্চ মুক্তিকামী জনতার মিছিলে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন শাহজাহান; যিনি লালমনিরহাটের প্রথম শহীদ হিসেবে পরিচিত।
৬ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রবল প্রতিরোধে পাটগ্রাম শুরু থেকেই কার্যত মুক্তাঞ্চল ছিল। নভেম্বরের শেষ দিকে মুক্তিযোদ্ধাদের তীব্র আক্রমণে ৩০ নভেম্বর হাতীবান্ধা উপজেলা মুক্ত হয়।

‎৪ ও ৫ ডিসেম্বর কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার বড়বাড়ি–আইরখামার এলাকায় মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর যৌথ আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক সেনারা।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ৫ ডিসেম্বর ভোরে পাকিস্তানি সৈন্যরা রংপুর ক্যান্টনমেন্টের দিকে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় ধ্বংস করে যায় তিস্তা রেলসেতুর একটি অংশ। অবশেষে, ৬ ডিসেম্বর জেগে ওঠে মুক্ত লালমনিরহাট।

বিজয়ের উল্লাসে মুখরিত হয় শহর, আকাশে উড়ে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা।

এর পর থেকে ৬ ডিসেম্বর লালমনিরহাট হানাদার মুক্ত পালন হয়ে আসছে।

‎প্রতি বছর এই দিবসটি ঘিরে থাকতো নানা আয়োজন।
সারা শহর জুড়ে দৃষ্টিনন্দন গেট,আলোকস্বজ্জা,কবিতা প্রতিযোগীতা, চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতা,সন্ধায় গণ-কবরে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও শেষে লালমনিরহাট মুক্ত মঞ্চে দেশত্ববোধক গানের আয়োজন।

‎কিন্তু এবার লালমনিরহাটে অনেকটাই  ঢিলেঢালা পালিত হচ্ছে লালমনিরহাট হানাদার মুক্ত দিবস। সকালে লালমনিরহাট রেলওয়ে গণকবরে শ্রদ্ধা নিবেদন, জিয়ারত ও বিশেষ দোয়া করে শেষ হলো লালমনিরহাট মুক্ত দিবসের অনুষ্ঠান।

‎এ সময় লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনোনীতা দাস, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ লালমনিরহাটের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা হোসেন আলীসহ মুক্তিযোদ্ধাগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar