কক্সবাজার প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
কক্সবাজার কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন রুটে চলাচলকারী ‘দ্যা আটলান্টিক ক্রুজ’ নামে একটি পর্যটকবাহী জাহাজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার ভোরে বাঁকখালী নদীতে ঘটা এই দুর্ঘটনায় জাহাজের এক কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডের সময় জাহাজে কোনো পর্যটক না থাকায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
সি ক্রুজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (স্কোয়াব) সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে যখন আগুন লাগে, তখন জাহাজটি নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে পর্যটক তোলার জন্য আসছিল। অগ্নিকাণ্ডের পর জাহাজ থেকে ১৫ জন ক্রু ও কর্মচারীকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও একজনকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সকালেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। তিনি জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বিকেলে জাহাজ মালিকদের সঙ্গে একটি জরুরি সভার আহ্বান করা হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত জাহাজটি থেকে ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘক্ষণ কাজ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
পর্যটকদের নিরাপত্তা ও বিকল্প ব্যবস্থা কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা তাসনিম জানান, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যটকদের জাহাজে ওঠার প্রক্রিয়া তদারকি করতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা আগে থেকেই ঘাটে উপস্থিত ছিলেন। তখনই এই অনাকাঙ্ক্ষিত অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি নজরে আসে।
তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, অগ্নিকাণ্ডের সময় কোনো পর্যটক জাহাজে ছিলেন না। ওই জাহাজে করে যেসব পর্যটকের সেন্টমার্টিন যাওয়ার কথা ছিল, তাদের দ্রুত বিকল্প অন্য জাহাজে করে গন্তব্যে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে জাহাজটি প্রায় পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।