1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
আইসিজেতে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ দাবি মিয়ানমারের, নাকচ বাংলাদেশের - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আইসিজেতে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ দাবি মিয়ানমারের, নাকচ বাংলাদেশের

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৭৩ জন খবরটি পড়েছেন

টেলিগ্রাফ ডেস্ক | আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে দাবি করেছে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার। তবে এই অবস্থানকে সম্পূর্ণভাবে নাকচ করেছে বাংলাদেশ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, এ ধরনের দাবি মূলত মিয়ানমারের জাতিগত নির্মূল অভিযানকে তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের মোড়কে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা। এটিকে ২০১৬-১৭ সালে রোহিঙ্গাদের ওপর সংঘটিত ভয়াবহ মানবাধিকার লঙ্ঘন থেকে “আন্তর্জাতিক মনোযোগ সরানোর কৌশল” বলেও উল্লেখ করে বাংলাদেশ।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) প্রকাশিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আইসিজেতে মিয়ানমারের সাম্প্রতিক আবেদনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। ওই আবেদনে রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ আখ্যা দিয়ে অবৈধ অভিবাসনের একটি ভাষ্য দাঁড় করানো হয়েছে এবং তাদেরকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার হুমকি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ১৭৮৫ সালে আরাকান বর্মণ শাসনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ারও বহু আগে থেকে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রোহিঙ্গারা একটি স্বতন্ত্র জাতিগত গোষ্ঠী হিসেবে অঞ্চলটিতে বসবাস করে আসছে। প্রাচীন আরাকানের রাজধানী মায়ো-হাউং বা ম্রো-হাউং এলাকায় তাদের উপস্থিতির কারণে চট্টগ্রামের রোশাং বা রোহাং নামের সঙ্গে তাদের পরিচিতি গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে প্রান্তিকীকরণ বাড়তে থাকলে আত্মপরিচয়ের অংশ হিসেবে ‘রোহিঙ্গা’ নামটি তারা গ্রহণ করে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, আরাকান ও বর্তমান রাখাইন অঞ্চলের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক বন্ধন গভীর। ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন প্রণয়নের আগ পর্যন্ত তারা মিয়ানমারের রাজনীতি ও সমাজে সক্রিয় থেকে ভোটাধিকার ভোগ করলেও, ২০১৫ সালের নির্বাচনের সময় পুরোপুরি বাতিল করা হয়।

বাংলাদেশের দাবি, রোহিঙ্গাদের ‘বাঙালি’ হিসেবে চিহ্নিত করা ছিল তাদের নাগরিকত্ব ও মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার একটি পরিকল্পিত কৌশল। অথচ ১৯৭৮ সালের বাংলাদেশ-মিয়ানমার দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবাসন চুক্তির আওতায় মিয়ানমার তাদের বৈধ বাসিন্দা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে সমাজের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্তির আশ্বাস দিয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়।

#আরএ

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar