1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
গৌরীপুরের কলতাপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বাউল সুনীল কর্মকার - bdtelegraph24.com
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ওষুধ কারখানায় অগ্নিকাণ্ড, আহত ১ দুর্গাপুরে নির্মম হত্যার শিকার সাংবাদিক আলিফ ফকিরের পরিবারের পাশে ডেপুটি স্পিকার বন্ধুত্বের পুঁজিতে গড়ে উঠল ‘শেষ বিকেলের চায়ের আড্ডা’, স্বপ্ন অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো কালিয়াকৈরে প্রিমিয়াম লীগ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: নিহত ১০, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না ঝিনাইদহে সুপারি পাড়া নিয়ে দ্বন্দ্বে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই নিহত ঝিনাইদহে অনলাইন জুয়া পরিচালনার অভিযোগে বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার শাহজালাল বিমানবন্দরে সাড়ে ৩ লাখ টাকার ডায়মন্ডের রিং উদ্ধার, মালিককে হস্তান্তর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী উত্তরা রাজলক্ষ্মীতে পোশাক শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত

গৌরীপুরের কলতাপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বাউল সুনীল কর্মকার

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৬৮ জন খবরটি পড়েছেন

বিশেষ প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৪টায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে এবং অসংখ্য ভক্ত-গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাকে ওইদিন বিকালে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়া গ্রামে হিন্দু রীতি শেষে বাউলশিল্পী সুনীল কর্মকার জীবদ্দশায় শিষ্য ও ভক্তদের কাছে করা ওছিয়ত অনুযায়ী মুসলমান বিধান মেনে জানাজা পড়ে ওই গ্রামে তার নিজস্ব ক্রয়করা ৩২ শতাংশ জায়গায় শায়িত করা হয়।

উল্লেখ্য, নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় জন্ম নেওয়া সুনীল কর্মকার মাত্র সাত বছর বয়স থেকেই গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভরাট ও আবেগময় কণ্ঠে যেকোনো আসর একাই মাতিয়ে তুলতে পারতেন তিনি। শুধু কণ্ঠ নয়, বেহালা, দোতারা, তবলা ও হারমোনিয়াম— একাধিক বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারদর্শী ছিলেন এই শিল্পী। বিখ্যাত বাউলশিল্পী ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর গান শুনেই গানের জগতে নিজেকে সঁপে দেন সুনীল। তার নিজের লেখা গানের সংখ্যাও কম নয়-প্রায় দেড়শো থেকে দুইশোর কাছাকাছি গান রচনা করেছেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। বরেণ্য বাউলশিল্পী দৃষ্টিহীন বাবু শ্রী সুনীল কর্মকার ১৯৫৯ সালের ১৫ জানুয়ারি নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বান্দনাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা দীনেশ কর্মকার এবং মা কমলা কর্মকার। তিন ভাইয়ের মধ্যে সুনীল ছিলেন জ্যেষ্ঠ। দ্বিতীয় ভাই দীলিপ কর্মকার পেশায় একজন স্বর্ণশিল্পী। সর্বকনিষ্ঠ ভাই শ্রীমল কর্মকার। বাবা দীনেশ কর্মকার ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে আশ্রয় শিবিরে অসুস্থ হয়ে মারা যান। বাউল সাধক বাবু শ্রী সুনীল কর্মকার ময়মনসিংহ শহরে আমলাপাড়ায় সপরিবারে বসবাস করতেন। তার দুই ছেলে বিশ্বজিৎ, প্রসেনজিৎ এবং স্ত্রীকে নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস। দৃষ্টিহীন এই শিল্পী লোক সঙ্গীতে অবদানের জন্য ২০২২ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রদত্ত শিল্পকলা পদক লাভ করেন। বাউল সাধক মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকের ছায়া নেমে আসে। তবে গৌরীপুরবাসী কলতাপাড়ায় তার সমাধির খবর তেমন কিছু জানে না।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar