1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
হাইকোর্ট থেকে বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শ্রমিকদের আপত্তির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৩ রাঙামাটিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শারদ উপহার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রিয় শিক্ষকের অশ্রুসজল ও বর্ণিল বিদায় শরণখোলায় নারিকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

হাইকোর্ট থেকে বিচারপতি নাইমা হায়দারের পদত্যাগ

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৬ জন খবরটি পড়েছেন

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি নাইমা হায়দার তাঁর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তিনি গত বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বর্তমানে তাঁর পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে হাইকোর্ট বিভাগের দ্বিতীয় কোনো বিচারপতি হিসেবে তিনি পদত্যাগ করলেন। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি মামনুন রহমানও ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন।

বিচারপতি নাইমা হায়দার ২০০৯ সালের ৩০ জুন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন। এর ঠিক দুই বছর পর ২০১১ সালে তিনি একই বিভাগের স্থায়ী বিচারক হিসেবে শপথ নেন।

বিচার বিভাগে যোগ দেওয়ার আগে তিনি ১৯৮৯ সালে জেলা আদালতে এবং পরে ১৯৯৩ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি উচ্চ আদালতে বিচারিক দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে বিচার বিভাগে একের পর এক বিচারপতির পদত্যাগের ঘটনা নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিচার বিভাগের পুনর্গঠন এবং সংস্কারের যে দাবি উঠেছিল, এই পদত্যাগগুলোকে সেই প্রেক্ষাপটেই দেখছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

তবে পদত্যাগপত্রে বিচারপতি নাইমা হায়দার কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেছেন কি না, সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar