1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ডামি প্রার্থীর অধ্যায় শেষ, ভোটে ফিরছে ঈদের আনন্দ - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ মহিপুরে ১ কেজি ৯০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৬ হাজার ৬৫০ টাকায় ভারত ও নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: নিহত ৭০ বাংলার জমিনে কাউকে সন্ত্রাস করতে দেয়া যাবেনা- স্বাস্থ্যমন্ত্রী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করেনি সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাবনায় ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা ভারতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ২৭৫ কিমি দূরে নিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ প্রণালিতে ১৯ জাহাজে ইরানের হামলা, মার্কিন ডুবোযান আটক অভয়নগরে সন্তানসহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মেলেনি ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

ডামি প্রার্থীর অধ্যায় শেষ, ভোটে ফিরছে ঈদের আনন্দ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৫ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

এক সময় ভোটের দিন মানেই ছিল অদ্ভুত এক নীরবতা। সকাল থেকে সন্ধ্যা—ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় না ছিল নারী-পুরুষের সারি, না ছিল উৎসবের চিহ্ন। খোলা ব্যালট বাক্স, ফাঁকা বুথ আর নিরুত্তাপ পরিবেশে দাঁড়িয়ে থাকা কর্মকর্তারা যেন নিজেরাই ভোটার হয়ে উঠেছিলেন। দু’একজন ভোটগ্রহণ কক্ষে ঢুকে ফিরে এসে বিস্ময়ের সঙ্গে বলতেন—তাদের ভোট নাকি আগেই দেওয়া হয়ে গেছে। এমন বাস্তবতা দেখেছে দেশ। আওয়ামী লীগ শাসনামলে ভোট ছিল কেবল আনুষ্ঠানিকতা, অংশগ্রহণ ছিল নামেমাত্র। প্রার্থী ছিল একই দলের ভেতরেই, পরিচিত ছিল ‘ডামি প্রার্থী’ নামে। ফলে মানুষের মনে ভোট নিয়ে কোনো উত্তাপ ছিল না, ছিল না প্রত্যাশা কিংবা আগ্রহ।

সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটেছে। ইতিহাসের সেই স্থবির সময় পেরিয়ে দেশ এখন এক ভিন্ন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে। ইন্টারিম গভর্নমেন্ট দায়িত্ব নেওয়ার দেড় বছরের মাথায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের আয়োজন করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন—যে নির্বাচন ঘিরে আবারও ফিরে এসেছে মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে স্বপ্ন দেখার সাহস।

এই পরিবর্তনের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে পথে-ঘাটে। শহর থেকে গ্রামে, বন্দর থেকে শেকড়ে ফেরার মানুষের ঢল নামছে। বাস, ট্রেনসহ সব ধরনের যানবাহনে দেখা যাচ্ছে প্রচণ্ড ভীড়। চট্টগ্রাম শহর থেকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপজেলামুখী মানুষের চাপ সামলাতে ব্যস্ত নতুন কর্ণফুলি নতুন ব্রীজ, বহদ্দার হাট টর্মিনালসহ নগরী বিভিন্ন বাস স্টোপেজগুলো যেন সাক্ষী হয়ে আছে এই জাগরণের। কোথাও নারী-পুরুষের দীর্ঘ সারি, কোথাও পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘরে ফেরার দৃশ্য—সবার মুখে একই কথা, “এবার আমরা নির্ভয়ে ভোট দেব।”

গ্রামে ফেরা মানুষগুলোর চোখে মুখে আনন্দ, কণ্ঠে প্রত্যয়। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন পর নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ভয় নয়, বাধা নয়—এই ভোট হবে স্বাধীন সিদ্ধান্তের প্রতিফলন। অনেকের কাছে এই যাত্রা কেবল বাড়ি ফেরা নয়, এটি অধিকার ফিরে পাওয়ার আনন্দযাত্রা।
বলা যায়, এবারের ভোট কেবল একটি সাংবিধানিক দায়িত্ব নয়—এটি উৎসব। ঈদের আনন্দ নিয়ে যেমন মানুষ ঘরে ফেরে, ঠিক তেমনি ভোটের আনন্দ বুকে ধারণ করে মানুষ ফিরছে নিজের গ্রামে, নিজের কেন্দ্রে। নীরব ভোটের যুগ পেছনে ফেলে দেশ হাঁটছে উৎসবমুখর গণতন্ত্রের পথে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar