ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাংলাদেশে চলমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটার উপস্থিতির হার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আজ বৃহস্পতিবার সারাদিনে মোট চার ধাপে ভোট প্রদানের শতকরা হার পাঠানোর জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ইসি সচিবালয় জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন এবং প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে সরাসরি এই ভোটের পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিটি সংসদীয় আসন থেকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর ভোটের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে সকাল ১০টা, এরপর দুপুর ১২টা এবং দুপুর ২টায় ভোটার উপস্থিতির হিসাব নেওয়া হবে। সর্বশেষ ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর চূড়ান্ত হিসাব পাঠাবেন প্রিজাইডিং অফিসাররা।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, তথ্য সংগ্রহের সময় কোনো অনুমান নয়, বরং ব্যালটের মুড়ি গণনা করে প্রাপ্ত প্রকৃত সংখ্যাই ডাটাবেজে এন্ট্রি করতে হবে।
সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে ডাটা এন্ট্রি অপারেটররা বিশেষ সফটওয়্যারের (RMS) মাধ্যমে কেন্দ্রভিত্তিক তথ্য ইনপুট দিচ্ছেন। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ‘কপোত ড্যাশবোর্ড’ নামক একটি ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে মনিটর করছেন রিটার্নিং অফিসাররা।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে, এই পরিসংখ্যানের ওপর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকেও নজর রাখা হচ্ছে। ফলে তথ্য আদান-প্রদানে কোনো ধরণের ভুল বা বিলম্ব না করার জন্য মাঠ কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছে।
৫ আগস্টের পরবর্তী প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। ভোটের হারের তথ্য নিয়ে যাতে কোনো ধরণের বিভ্রান্তি বা সন্দেহের অবকাশ না থাকে, সেজন্যই এবার প্রযুক্তি ব্যবহার করে নির্দিষ্ট সময় পরপর হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে কমিশন।