ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ নিতে যাচ্ছে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে অংশ নিতে ভারত, পাকিস্তান ও চীনসহ অন্তত ১৩টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এই শপথ অনুষ্ঠানে ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের আসার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রথমে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। এরপর বিকেল ৪টায় একই স্থানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এবং তাঁর নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন। তাঁদের শপথ পাঠ করাবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে সাক্ষী হতে বাংলাদেশে আসছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে এবং ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। এছাড়া নেপাল ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সার্ক ও বিমসটেকভুক্ত বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন।
আমন্ত্রিত ১৩টি দেশের তালিকায় রয়েছে সৌদি আরব, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। এছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা জানিয়েছেন, শপথ অনুষ্ঠানের জন্য সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। দীর্ঘ সময় পর গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নতুন সরকার গঠনের এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে বঙ্গভবন ও সংসদ এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
নির্বাচন কমিশন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ যৌথভাবে এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সমন্বয় করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এত বিপুল সংখ্যক বিদেশি প্রতিনিধির উপস্থিতি নতুন সরকারের জন্য একটি শক্তিশালী আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির বার্তা বহন করছে।