1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
৩৬ বছরেও অবহেলিত মডার্ন বক্সিং ক্লাব - bdtelegraph24.com
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে মাটি পাচার, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী চট্টগ্রামের মানুষ আগে জান্নাতে যাবে: ওয়াজে আতাউল বারীর বক্তব্য নিয়ে বিতর্ক মাগুরায় ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ, আলোচনা করলেন সাম্প্রতিক সফর নিয়ে বাঘারপাড়ায় ইউসিবির ‘কিউআর’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা খুঁটির সঙ্গে বাঁধা বাবাকে খাওয়ানো সেই শিশুর দায়িত্ব নিল উজিরপুর প্রশাসন সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ইসরায়েলকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র নিজের আধিপত্যই ক্ষয় করছে: গেগরি জে সিমনস টঙ্গীতে গাঁজাসহ নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষ্যে শ্যামনগরে র‍্যালি, নদী, খাল পরিচ্ছন্নতা অভিযান

৩৬ বছরেও অবহেলিত মডার্ন বক্সিং ক্লাব

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৯১ জন খবরটি পড়েছেন

আবু কাওসার মাখন 

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাজশাহী ব্যুরো ।

রাজশাহীকে বলা হয় দেশের বক্সিংয়ের আতুরঘর। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম ধারক ও বাহক ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত মডার্ন বক্সিং ক্লাব। প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রধান প্রশিক্ষক আবু সুফিয়ান চিশতি বাবুর হাত ধরে যাত্রা শুরু করা ক্লাবটি একসময় রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাফিলিয়েটেড ক্লাব হিসেবে নিবন্ধিত হয়। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর খুলনা আঞ্চলিক শাখায় ডেপুটি ডিরেক্টর (ডিডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশের বক্সিং ইতিহাসে রাজশাহীর নাম উচ্চারিত হয় ১৯৮৬ সালের ১৯৮৬ সিউল এশিয়ান গেমস-এ। ওই আসরে প্রথম পদক জিতে দেশকে গৌরবান্বিত করেন মোশাররফ হোসেন। জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত এই বক্সারের দেখানো পথ ধরেই পরবর্তীতে অনেক বক্সার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য অর্জন করেন। সেই সব ক্রীড়াবিদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে মডার্ন বক্সিং ক্লাব।

বর্তমানে ক্লাবের প্রধান প্রশিক্ষক ও সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম মাসুদ জানান, ১৯৯১ সালে খেলোয়াড় হিসেবে ক্লাবে যোগ দেন তিনি। ২০০০ সাল থেকে কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার ভাষায়, “রাজশাহীকে ‘সিটি অব বক্সিং’ বলা হয়। এই খেতাব অর্জনের পেছনে মডার্ন বক্সিং ক্লাবের অবদান অপরিসীম। কিন্তু পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আমরা নানা সংকটে আছি।”

ক্লাব সূত্রে জানা যায়, এখান থেকে উঠে আসা ইসরাফিল (বর্তমানে সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও আন্তর্জাতিক পদকজয়ী), নাদিম হোসেন (বিশ্ব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশগ্রহণকারী), মাহমুদ আলী মিঠু, জনি, আলামিন, আরিফসহ বর্তমান প্রজন্মের আবু তালহা, রবিন, জাহিদুল, উৎসব ও লিমন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য সাফল্য বয়ে এনেছেন। প্রতি বছরই ক্লাব থেকে অসংখ্য খেলোয়াড় জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সাফল্য অর্জন করছে।

বর্তমানে প্রায় ১০০ জন ছেলেমেয়ে নিয়মিত অনুশীলন করছে ক্লাবে। ভর্তি ফি ৩০০ টাকা। খুদে বক্সারদের মাসিক ফি ৩০ টাকা এবং বড়দের জন্য ৫০ টাকা। এত স্বল্প ফিতে ক্লাব পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানান কর্তৃপক্ষ। একজোড়া গ্লাভসের দাম প্রায় ৩ হাজার টাকা, টিথ গার্ড ৩০০ টাকা এবং ব্যান্ডেজ ৫০০ টাকা। ক্লাবের প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে সক্ষম নয়—তাদের জন্য ক্লাবকেই সহায়তা করতে হয়।

দীর্ঘ ৩৬ বছর পার করেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আর্থিক সহায়তা না পাওয়ায় হতাশ ক্লাব সংশ্লিষ্টরা। রাজশাহীর বক্সিং ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারি-বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar