ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নিজের জন্য ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগের কথা জানানো হয়।
নিযুক্ত উপদেষ্টাদের মধ্যে পাঁচজনকে পূর্ণ মন্ত্রী এবং বাকি পাঁচজনকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়া দলের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী জ্যেষ্ঠ নেতাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
মন্ত্রী পদমর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান। এছাড়া দীর্ঘ দেড় দশক ধরে দলের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদকেও মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হয়েছে। এই তালিকায় আরও রয়েছেন মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ ও ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্য পাঁচজন সদস্য প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা পাবেন। তাঁরা হলেন—হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদুর রহমান, ড. মাহাদি আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ। মূলত প্রশাসনিক দক্ষতা ও বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাঁদের এই পদে আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারেক রহমান। একই অনুষ্ঠানে ৪৯ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভাও শপথ গ্রহণ করে।
বিকেলে মন্ত্রিসভার তালিকায় মির্জা আব্বাস বা রুহুল কবির রিজভীর মতো হেভিওয়েট নেতাদের নাম না থাকায় রাজনৈতিক মহলে যে কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছিল, রাতে এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার অবসান ঘটল। উপদেষ্টামণ্ডলী গঠনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রশাসনের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত নেতাদের সরাসরি যুক্ত করলেন।