1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মৃত্যুর করিডোর” চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে প্রতিদিন ঝরছে প্রাণ, উন্নয়নে জরুরি দাবি - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যক্তিত্বসম্পন্ন শিক্ষার্থী গড়ার প্রত্যয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনদের সঙ্গে শাখা ছাত্রদল কসমস রেস্টুরেন্টে ভয়াবহ আগুনফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিটের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে রাজশাহী বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষণের পরও খাতা দেখার অভিযোগ রায়পুরায় বাস ও পুলিশের গাড়ির সংঘর্ষ, আহত রাঙামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের অভিযানে ৬ জন গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার যশোরে বাড়ির দেয়াল থেকে ককটেল উদ্ধার, এলাকায় আতঙ্ক নেত্রকোণার দুর্গাপুরে মাদকের আখড়ায় পরিণত হওয়া ৭ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে জবিতে বিক্ষোভ মিছিল আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন BUP-এর শিক্ষার্থী সাদাফ শ্যামনগর পৌরসভা বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন

মৃত্যুর করিডোর” চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে প্রতিদিন ঝরছে প্রাণ, উন্নয়নে জরুরি দাবি

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১২ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার হয়ে আরাকান পর্যন্ত বিস্তৃত দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কটি বর্তমানে “মৃত্যুর করিডোর” হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিনিয়ত ঘটে চলা সড়ক দুর্ঘটনা ও বাড়তে থাকা প্রাণহানির ঘটনায় জনমনে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের তথ্য অনুযায়ী, গড়ে প্রতি দুই দিনে প্রায় তিনজন মানুষ এই সড়কে প্রাণ হারাচ্ছেন, যা মাসিক হিসেবে অন্তত ২৫ জনে পৌঁছায়। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী মাননীয় স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত সড়কটির উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

চট্টগ্রামের শাহ আমানত সেতু থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিস্তৃত এই সড়কটির পাশেই বসবাস করছে প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ লাখ মানুষ। অর্থাৎ, এই সড়কের ঝুঁকি সরাসরি বিপুল জনগোষ্ঠীর জীবন-নিরাপত্তার সাথে জড়িত। অথচ এত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক এখনো অধিকাংশ স্থানে দুই লেনবিশিষ্ট এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাও অপর্যাপ্ত।এই মহাসড়কটি শুধু একটি যোগাযোগ মাধ্যম নয়, বরং এটি দেশের অর্থনীতি ও পর্যটন শিল্পের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। বান্দরবান পার্বত্য জেলা, বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার এবং একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন—এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল। দেশের মোট পর্যটকের প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ এই অঞ্চলে ভ্রমণ করেন, যাদের অধিকাংশই এই সড়ক ব্যবহার করেন।

তবে বাস্তবতা হলো, সংকীর্ণ রাস্তা, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক, অপরিকল্পিত সংযোগপথ এবং দ্রুতগতির যানবাহনের চাপ—সব মিলিয়ে এই সড়কটি বর্তমানে এক ভয়ংকর মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। পর্যাপ্ত হাইওয়ে পুলিশ, আধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থা ও জরুরি চিকিৎসা সেবার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।এ অবস্থায় সচেতন মহল ও স্থানীয় জনগণ সড়কটির দ্রুত উন্নয়নের দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ৪ বা ৬ লেনে উন্নীত করা, দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণ, পর্যটন মৌসুমে বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

জনস্বার্থে এই মহাসড়কের উন্নয়ন শুধু একটি অবকাঠামোগত প্রকল্প নয়, বরং এটি মানুষের জীবন রক্ষা, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। তাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ এখন দেশবাসীর প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

X