1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
চারুকলা থেকে শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা, রঙে-উৎসবে ভাসছে রাজধানী - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ মহিপুরে ১ কেজি ৯০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৬ হাজার ৬৫০ টাকায় ভারত ও নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: নিহত ৭০ বাংলার জমিনে কাউকে সন্ত্রাস করতে দেয়া যাবেনা- স্বাস্থ্যমন্ত্রী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করেনি সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাবনায় ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা ভারতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ২৭৫ কিমি দূরে নিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ প্রণালিতে ১৯ জাহাজে ইরানের হামলা, মার্কিন ডুবোযান আটক অভয়নগরে সন্তানসহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মেলেনি ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

চারুকলা থেকে শুরু বৈশাখী শোভাযাত্রা, রঙে-উৎসবে ভাসছে রাজধানী

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১০২ জন খবরটি পড়েছেন

ডেস্ক নিউজ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে শুরু হওয়া এই শোভাযাত্রায় নানা বয়স ও শ্রেণিপেশার মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

বর্ষবরণের এই আয়োজন ঘিরে রাজধানীতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন প্রতীকী মোটিফ স্থান পেয়েছে, যা বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তুলে ধরা হয়।

এর আগে ভোরে রাজধানীর রমনার বটমূলে ছায়ানট-এর আয়োজনে সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপন শুরু হয়। ‘জাগো আলোক-লগনে’ গান দিয়ে শুরু হওয়া প্রায় দুই ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে মোট ২২টি গান পরিবেশিত হয়।

এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভোর থেকেই রমনার বটমূলে ভিড় করেন সাধারণ মানুষ। অনেকের কাছে এটি কেবল একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়, বরং শেকড়ে ফিরে যাওয়ার এক আবেগঘন উপলক্ষ। পুরোনো বছরের গ্লানি ও ক্লান্তি ভুলে নতুন বছরের সূচনাকে স্বাগত জানান তারা।

১৯৬৭ সাল থেকে ছায়ানট এই বর্ষবরণের আয়োজন করে আসছে, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশের সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের অভিন্ন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

এবারের বৈশাখী শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল পাঁচটি বিশেষ মোটিফ—মোরগ, বেহালা, পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। আয়োজকদের মতে, এগুলো যথাক্রমে শক্তি, সৃজনশীলতা, শান্তি, গৌরব ও গতিশীলতার প্রতীক।

বাঁশ, কাঠ ও রঙিন কাগজ দিয়ে তৈরি বিশালাকৃতির প্রতিকৃতিগুলো শোভাযাত্রায় বিশেষ মাত্রা যোগ করে। এতে অংশ নেওয়া ২০০ জন শিক্ষার্থী জাতীয় পতাকা বহন করেন এবং ৩৫ জন যন্ত্রশিল্পীর বাঁশি ও দোতারার সুরে বেজে ওঠে ‘এসো হে বৈশাখ’।

সারাদেশেই সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন বছরকে বরণ করে নিতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে পহেলা বৈশাখ এখন বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar