1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
৩০ মে থেমে যাওয়া এক স্বপ্নযাত্রা,আনসার ভিডিপির এক দূরদর্শী আলোকবর্তিকা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ মহিপুরে ১ কেজি ৯০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৬ হাজার ৬৫০ টাকায় ভারত ও নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: নিহত ৭০ বাংলার জমিনে কাউকে সন্ত্রাস করতে দেয়া যাবেনা- স্বাস্থ্যমন্ত্রী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করেনি সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাবনায় ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা ভারতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ২৭৫ কিমি দূরে নিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ প্রণালিতে ১৯ জাহাজে ইরানের হামলা, মার্কিন ডুবোযান আটক অভয়নগরে সন্তানসহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মেলেনি ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

৩০ মে থেমে যাওয়া এক স্বপ্নযাত্রা,আনসার ভিডিপির এক দূরদর্শী আলোকবর্তিকা

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ৩১ মে, ২০২৬
  • ১১৮ জন খবরটি পড়েছেন

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মো: আরিফুল ইসলাম,
পাবনা জেলা প্রতিনিধি।

ভোর তখনও পুরোপুরি জেগে ওঠেনি। চট্টগ্রামের আকাশে ছিল এক অদ্ভুত নীরবতা। ১৯৮১ সালের ৩০ মে। সেদিন শুধু একজন রাষ্ট্রপতির জীবন কেড়ে নেয়নি; থমকে দিয়েছিল একটি জাতির স্বপ্ন, একটি দীর্ঘমেয়াদি রাষ্ট্রদর্শনের যাত্রা এবং জনগণের শক্তিকে রাষ্ট্রগঠনের মূলধারায় আনার এক সাহসী উদ্যোগকে।

সেদিন শাহাদাতবরণ করেন বাংলাদেশের সপ্তম রাষ্ট্রপতি, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষক এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকারদের একজন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। কিন্তু ইতিহাসের গভীরে তাকালে দেখা যায়, তাঁর মৃত্যুতে এর চেয়েও বড় কিছু হারিয়েছিল বাংলাদেশ।

হারিয়েছিল এমন একজন রাষ্ট্রনায়ককে, যিনি বিশ্বাস করতেন। একটি দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি অস্ত্রাগারে নয়, প্রান্তিক জনগণের সম্মিলিত উন্নয়ন অংশীদারত্বের মাঝে। বাংলাদেশ যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত, অর্থনৈতিক সংকটাপন্ন এবং অনিশ্চয়তার পথে হাঁটছে, তখন জিয়াউর রহমান ভিন্ন এক দর্শনের কথা বলেছিলেন। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, গ্রামের মাটিতে, কৃষকের ঘামে, যুবকের শ্রমে এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের মাঝেই রয়েছে বাংলাদেশের প্রকৃত সার্বিক নিরাপত্তা। ৩০ মে এলে তাই শুধু একজন রাষ্ট্রপতিকে স্মরণ করা হয় না। স্মরণ করা হয় একটি স্বপ্নকে। একটি দর্শনকে। একটি বিশ্বাসকে। যে বিশ্বাস বলেছিল আনসার ভিডিপি পরিবারের ৩ কোটি সদস্যের সক্ষমতা ও সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে যদি জনগণের শক্তিকে জাগিয়ে তুলতে পারে, সেই জাতিকেই থামিয়ে রাখা যায় না।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা। শ্রদ্ধা তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি। শ্রদ্ধা তাঁর জনগণকেন্দ্রিক রাষ্ট্রচিন্তার প্রতি। আর শ্রদ্ধা সেই আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশের স্বপ্নের প্রতি, যা এখনও কোটি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে আছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar